আমরা এখনো ছোট, আমাদের ভুল হতেই পারে: ছাত্রলীগ সভাপতি

গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতার নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরক্তি প্রকাশের খবরে নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে ভুল শোধরানোর কথা বলছেন তারা।

শেখ হাসিনার অসন্তোষকে যৌক্তিক ও সঠিক মেনে নিয়ে নিজেদের শুধরে নিতে সময় চেয়েছেন ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা। দু’জনই বলছেন, ছাত্রলীগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার যেকোন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও শিরোধার্য।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ‘সন্তানকে দিক নির্দেশনা দেয়ার জন্য তিনি শাসন করবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, এটা নিয়ে অনেকের অতি উৎসাহিত হওয়ার কিছু নেই। সেটা হবে আমাদের উৎসাহ। আমরা তো এখনও ছোট মানুষ, আমাদের যে ভুলত্রুটিগুলো আছে, সেগুলো যেন আমরা শুধরে দলটাকে আরও সুন্দর করে চালাতে পারি, সেটাই হয়তোবা তিনি চিন্তা করছেন।’

ছাত্রলীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘কিছু ভুলত্রুটি হয়। নেত্রী আমাদের কমিটি দিয়েছেন। নেত্রী যখন ইচ্ছা তখন ভেঙ্গে দিয়ে নতুন করে কমিটি দিবেন। এখানে আসলে আমাদের বলার কিছু নাই। নেত্রী যা করবেন সেটাই ঠিক।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘নেত্রী আমাদের মা, অবশ্যই আমাদের ত্রুটি বিচ্যুতিগুলো স্বীকার করে নিয়ে এই অনুতাপবোধ থেকে তার কাছে আমরা ক্ষমা চেয়ে একেবারে বলবো যে, আমরা আরও ভালও করে কাজ করতে চাই। তিনি কষ্ট পেয়েছেন এটা আমরা নির্দ্বিধায় বুঝতে পারছি।’

গোলাম রাব্বানী আরও জানান, ‘তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এখন এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ, সবাইকে একসঙ্গে থেকে ছাত্রলীগের অভিন্ন পরিবারকে একত্রে থেকে শেখ হাসিনার যে প্রত্যাশার ছাত্রলীগ তা গড়ার জন্য এই চ্যালেঞ্জটা নিতে হবে।

এমন এক গ্রাম আছে যেখানে নারীর সঙ্গে নারীর বিয়ে দেওয়া হয়!…

পূর্ব আফ্রিকার তানজানিয়াতে ‘সমকাম’ আসলে একটি আদিম রীতি। নারীর সঙ্গে নারীর বিয়ে এখানে একেবারেই অপরাধ নয়। তানজানিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামে একজন নারী তার পছন্দের অন্য একটি নারীকে বিয়ে করতে পারেন। গ্রাম সমকামের বিয়েকে সামাজিক স্বীকৃতি দেয়।

পূর্ব আফ্রিকার একটি বনাঞ্চল বিশেষ স্থান তানজানিয়া। আফ্রিকার বনাঞ্চলের একটি বড় অংশই রয়েছে তানজানিয়াতে। দোদোমা হল তানজানিয়ার রাজধানী।

পৃথিবীতে এমন একটি জায়গা সত্যিই আছে যেখানে কোনো পুরুষ নেই। গ্রামজুড়ে শুধুই নারীদের বাস। শুনতে অবাক লাগলেও এমন একটি গ্রাম রয়েছে মিসরে।

আল-সামাহা নামক ওই গ্রামে কোনো পুরুষ নেই। শুধু তাই নয়, সেখানে কোনো পুরুষ প্রবেশের অনুমতিও নেই। বর্তমানে ৩০৩ জন নারী বাস করছেন সেখানে। কোনো নারী যদি বিয়ে করেন তাহলে তৎক্ষণাৎ তাকে গ্রাম ছাড়তে হয়।

গ্রামটির অবস্থান দক্ষিণ মিসরের আসওয়ান শহর থেকে ১২০ কি.মি দূরে ইদফো নামক ছোট শহরে। আসলে মিশরের সরকার বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীদেরকে এই গ্রামটি দিয়েছেন। গ্রামটির চারপাশে আছে চাষাবাদের জন্য জমি। পশু-পাখি পালন ও চাষাবাদ করে জীবন ধারণ করেন গ্রামে বসবাস করা নারীরা।

গ্রামের প্রত্যেক নারীকে একটি করে বাড়ি ও এক খণ্ড করে জমি দেওয়া হয়েছে। গ্রামের প্রধান তত্ত্বাবধানকারী হামদি আল কাশেফ বলেন, ১৯৯৮ সালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজেক্টের অধীনে দুটি গ্রাম বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীদের দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, একই ধরনের একটি গ্রাম দেখা যায় আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায়র উত্তরাঞ্চলে। ওই গ্রামের নাম ‘উমোজা’। প্রায় ৩০ বছর আগে রেবেকা লোলোসোলি নামের এক নারী নারীকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নির্যাতন ও লাঞ্ছনা থেকে বাঁচাতে এই গ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন। এমন আরেকটি গ্রাম রয়েছে ব্রাজিলে।

নোইভা ডো করডেরিয়ো এমন একটি গ্রাম যেখানে শুধু সুন্দরী নারীরাই বাস করেন। ১৮৯০ সালে এক মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া হলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তিনি চলে আসেন গ্রামটিতে। মারিয়া সেনহোরিনা ডে লিমা নামের সেই মেয়েটি ১৮৯১ সালে এই গ্রামের পত্তন করেন।

যে কারনে এক বান টিনের দাম ৭ লাখ টাকা!

একটি টিন কেনা হয়েছে এক লাখ টাকায়। যা বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। বিশ্বে হয়তো এই টিনই সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)-এর কিছু ঘর মেরামতের কাজে এমন দামে টিন কেনা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই মেরামতকাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কাজ শুরু মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়। অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রকল্পের কাজে আরও বেশকিছু অনিয়মের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে ছিল মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।

প্রকল্পের কাজে এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জসিম বলেন, ‘আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন, আমি সেভাবেই করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না’।

একটি টিন কেনা হয়েছে এক লাখ টাকায়। যা বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। বিশ্বে হয়তো এই টিনই সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)-এর কিছু ঘর মেরামতের কাজে এমন দামে টিন কেনা হয়েছে বলে ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটিতে নুরুল আমিন ও জিয়া চৌধুরীর করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই মেরামতকাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও কাজ শুরু মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়। অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে।

প্রতিবেদনে প্রকল্পের কাজে আরও বেশকিছু অনিয়মের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে ছিল মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।

প্রকল্পের কাজে এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে জসিম বলেন, আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন, আমি সেভাবেই করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।

বিশ্বের শীর্ষ নারী নেত্রীদের তালিকায় শেখ হাসিনা!

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এ পদে ১৫ বছরেরও বেশি সময় পার করে ফেলেছেন তিনি। অন্যদিকে বিশ্বের শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যুক্তরাজ্যের মার্গারেট থ্যাচার এবং শ্রীলঙ্কার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য। সেখানে আরো বলা হয়েছে, ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় ছিলেন। মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেন শাসন করেছেন ১১ বছর ২০৮ দিন। আর চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট দু’ভাবেই ক্ষমতায় ছিলেন ১১ বছর ৭ দিন।

জরিপ অনুসারে, ১৯৯৭ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ২০ বছর ১০৫ দিন দেশ শাসন করেছেন সেন্ট লুসিয়ার গভর্নর জেনারেল ডেম পারলেট লুইজি। তিনি সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা নারী। আইসল্যান্ডের ভিগডিস ফিনবোগডোটিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৮০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত প্রায় ১৬ বছর। তবে বিশ্ব রাজনীতিতে এ দুই নেতা খুব বেশি পরিচিত ছিলেন না।

যুক্তরাষ্ট্রীয় দেশের মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মেরকেল আছেন সবার শীর্ষে। তিনি ২০০৫ সাল থেকে এখনো ক্ষমতায় রয়েছেন।

এদিকে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। প্রথম মেয়াদে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন তিনি। পরে ২০০৮ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয় পায় তার দল আওয়ামী লীগ।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য। সেখানে আরো বলা হয়েছে, ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় ছিলেন। মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেন শাসন করেছেন ১১ বছর ২০৮ দিন। আর চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট দু’ভাবেই ক্ষমতায় ছিলেন ১১ বছর ৭ দিন।

চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এ পদে ১৫ বছরেরও বেশি সময় পার করে ফেলেছেন তিনি। অন্যদিকে বিশ্বের শীর্ষ নারী শাসকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যুক্তরাজ্যের মার্গারেট থ্যাচার এবং শ্রীলঙ্কার চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে তরুণীর অনশন!

বিয়ের দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ দিন ধরে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে অনশন করছেন এক তরুণী। সদর উপজেলার রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের কানিকশালগাঁও গ্রামে ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সজলের (২৫) বাড়িতে চলছে এই অনশন।এ বিষয়ে ওই তরুণী বলেন, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় থানায় মামলা করেছি। জেলে থাকার সময় সজল বলেছে, সে যেদিন জেল থেকে বের হবে সেদিন যেন আমি তার বাড়িতে যাই। তাই এসেছি। কিন্তু এখন সে বিয়ে করছে না। এ বিষয়ে সজলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।




সজলের বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, গত ৩১শে অগাস্ট থেকে ওই তরুণী তাদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সজল আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমি তাকে বিয়ে করতে বলেছি। কিন্তু সে তাতে রাজি না। তাই আমি তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেছি। আমি তাকে বিয়ে করব। অন্যথায় এখানেই আমি আমার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করব।।




সজলের মা সাহেরা বানু বলেন, আমার ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এটা সত্য। গত ২৪ জুন ওই মেয়ের পরিবারের লোকজন আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে তাদের বাড়িতে আটকে রাখে। তারা বিয়ের জন্য সজলকে চাপ দেয়। সে রাজি না হওয়ায় ২৬ জুন সজলের বিরুদ্ধে রুহিয়া থানায় ধর্ষণ মামলা করে ওই মেয়ে।রুহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু, রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সেন ও সালন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মুকুল বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও তাতে ব্যর্থ হয়েছেন।




সজলের বাবা হামিদুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ মামলায় আমার ছেলে ৬১ দিন কারাগারে ছিল। উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে গত ৩১ আগস্ট সজল বাড়ি আসার কিছুক্ষণ পর তার প্রেমিকা আমাদের বাড়িতে চলে আসে। সে তার পরিবারের লোকজনের সহায়তায় বাড়ির একটি কক্ষে ঢুকে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। বাধা দিলে তারা আমার স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়িকে মারধর করে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে মেয়েটি আমাদের বাড়িতেই রয়েছে। ওই তরুণীও পাল্টা অভিযোগে বলেছেন, সজলের পরিবারের সদস্যরা তাকে মারধর করেছে।




মনিরুল হক বাবু বলেন, মেয়ে পক্ষ সমাধানে রাজি হয়েছে। তবে ছেলে পক্ষ রাজি নয়। আমার অনেকবার ছেলে পক্ষকে সমাধানের কথা বলার পরও তাদের দিক থেকে তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খুব দ্রুত সমাধানের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ২১ নম্বর রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সেন।ওই তরুণীর করা ধর্ষণ মামলার অগ্রগতি জানতে চাইলে রুহিয়া থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় বলেন, আমরা এখনও মেডিকেল রিপোর্ট পাইনি। সেটা পেলে অগ্রগতি বলা যাবে।




জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার পারভেজ পুলক বলেন, সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকায় ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে দায়ে সজলকে পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে ওই তরুণী সজলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। সে মামলার পুলিশ তাকে আটক করে। সজল জামিন মুক্ত হওয়ার দিন এই অনশন শুরু করেন ওই তরুণী

ভারত-পাক সম্পর্ক আগের চেয়ে কম উত্তপ্ত, জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প!

ধীরে ধীরে খোলস ছাড়ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাক সম্পর্ক নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। দুই দেশের বন্ধুত্ব ফেরাতে মধ্যস্ততার বিষয়টি এলেও তা খুব লাভজনক হয়নি। পৃথিবীর শক্তিশালী দেশগুলির পাশে বসে নরেন্দ্র মোদীকে আবার কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয় বলে দুই দেশকে আলোচনা করতে বলেন। তবে এবার ঠিক কিছুটা উল্টো কথাই বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউস থেকে তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক গত দুই সপ্তাহ আগের থেকে এখন কিছুটা কম উত্তপ্ত। এর কিছুদিন আগেই তিনি দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্ততা করতে চেয়েছিল।

জি৭ সামিটের প্রায় সপ্তাহ দুয়েক পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করলেন। অগাস্টের ২৬ তারিখ মোদী-ট্রাম্প ফ্রান্সে দেখা করেন। তারপরই তিনি শমবার বলেছেন, “ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দন্দ্ব চলছে। আমার মণে হয় এখন বিষয়তী আগের মতন আর উতপ্ত নয় বা তার চেয়ে কিছুটা কম।”

নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্পেশাল স্ট্যাটাস মুছে ফেলার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও এসেছে তিক্ততা। ভাঁটা পরেছে ভারত-পাক বন্ধুত্বে। তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্ততার পথ ছাড়তে চাইছেন ও সরাসরি কথোপকথনকে সমর্থন জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভারত-পাকিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়নের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তার জবাবে তিনি বলেন, “আমার দুই দেশের সঙ্গেই খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। যদি দুই দেশই চায় তবে আমি তাঁদের এ বিষয়ে সহায়তা করতে রাজি আছি। তাঁরাও এটা জানে। এটাই প্রস্তাব দিয়েছি।”

ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিচালিত সরকারকে তাঁরা ‘সক্রিয় ভূমিকা’ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। সেখানেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তাপ কিছুটা হলেও কিভাবে কমানো যায় সেই বিষয়ও কথা হয় তাঁদের মধ্যে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের আগে থেকেই কাশ্মীর সমস্যায় ঢোকার চেষ্টা করছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তা বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে ভারত। এমনকি ফ্রান্সে জি৭ এর বৈঠকেও ট্রাম্পের সামনে বসেও সরাসরি সেই কথাই বলে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভারত-পাকিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়নের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তার জবাবে তিনি বলেন, “আমার দুই দেশের সঙ্গেই খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। যদি দুই দেশই চায় তবে আমি তাঁদের এ বিষয়ে সহায়তা করতে রাজি আছি। তাঁরাও এটা জানে। এটাই প্রস্তাব দিয়েছি।”

বিয়ে হয়েছে ২ মাস, গর্ভে ৭ মাসের সন্তান!

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের গঙ্গানন্দপুর গ্রামে বিয়ের দুই মাসের মাথায় এক তরুণীর (২০) ৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই তরুণীর বাবা জানিয়েছেন, দুই মাস আগে তার মেয়ের বিয়ে হয় বড়গাঁ গ্রামে। বিয়ের দুই মাস পর তার স্বামী জানতে পারে স্ত্রীর পেটে ৭ মাসের সন্তান রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের লোকজন চাপ সৃষ্টি করলে সে জানায় বিয়ের আগে তার একটি ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল। তার নাম মিটুল শেখ (২৪)। সে বাড়ি আলফাডাঙ্গা পৌরসভার হিদাডাঙ্গা গ্রামে মো. আক্কাচ শেখের ছেলে। সেই সম্পর্কের জের ধরে সে গর্ভবতী হয়। পরিবারের লোকজন ছেলেটির ঠিকানা নিয়ে তার পরিবারের কাছে সব কিছু খুলে বলে।

জানা গেছে, পরে উভয়পক্ষের অভিভাবকরা শেখর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যার নিকট আসেন। তাৎক্ষণিক বৈঠক বসিয়ে তাদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে কাজী শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি সহস্রাইলে বিয়ে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইস্রাফিল মোল্যা ও ছেলে-মেয়ের অভিভাবকরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে দিয়ে বিয়ে পড়িয়েছে।

মো. ইস্রাফিল মোল্যা বলেন, ছেলে স্বীকার করেছে ওই তরুণীর পেটে তার সন্তান। তাই উভয়পক্ষের অভিভাবকরা আমার কাছে এসে বিয়ের কথা বলেছে এবং তাদের সম্মতিক্রমেই বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই মেয়ে মিটুল শেখের (স্বামী) বাড়িতেই আছে।
একজন শিশু মায়ের গর্ভে কত মাস থাকে? অনেকেই ৯ মাস গর্ভধারণের কথা বলেন, যাকে বাস্তব নয় বলে উল্লেখ করছেন আধুনিক চিকিৎসকরা।

তাহলে বাস্তব সত্যটি কী? এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার। আপনি স্বাভাবিক গর্ভধারণের সময়টিকে কোনোভাবেই নয় মাস বলতে পারবেন না। স্বাভাবিক হিসাবে অনেকেই নয় মাসকে গর্ভধারণের সময় বলে মনে করেন। যদিও বাস্তবে নয় মাসের সঙ্গে বিষয়টির কোনো মিল নেই বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাহলে বাস্তবে কতদিন ধরে গর্ভধারণ করতে হয়? একজন শিশু মায়ের গর্ভে কতদিন থাকে তা অনেকেই জানতে চান।

পরিসংখ্যানে জানা যায়, মাত্র ৪ শতাংশ নারী ৪০ সপ্তাহ গর্ভধারণ করেন। এটি প্রায়ই নয় মাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়। তবে ৯ মাস ৪০ সপ্তাহ নয়। এমনকি তা ২৮০ দিনও নয়। যদিও অনেকে এ দিনটিকে সঠিক হিসেবে মনে করেন। বছরে ১২ মাস থাকলেও প্রতি মাসের দিনের সংখ্যা সমান নয়। এছাড়া আপনি যদি প্রতি মাসের দিনের গড় হিসাব করেন তাহলে এতে ৩০ দিন ১০ ঘণ্টা করে পড়বে। আর এ হিসাবে ২৮০ দিন বলতে প্রায় নয় মাস এক সপ্তাহ হয়।

এ কারণে ২৮০ দিন কথাটিও সঠিক নয়। ১৮৩৬ সালে জার্মান ধাত্রীদের জন্য প্রকাশিত ম্যানুয়ালে প্রথম এ সংখ্যাগুলো প্রকাশিত হয়। এতে গর্ভধারণের সম্ভাব্য সময় অনুমান করা হয়। তবে ২০১৩ সালে এক গবেষণায় তারিখগুলো সঠিক নয় বলেই জানা যায়। সম্প্রতি এনআইএইচ গবেষকরা ১২৫ জন নারীর গর্ভধারণের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। এতে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন নারীর গর্ভে যমজ সন্তানও ছিল। তারা গবেষণায় দেখেন, গর্ভধারণের সাত ও আট মাস পরই অধিকাংশ যমজ সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে।

আর সব মিলিয়ে গড়ে ৩৮ সপ্তাহ ২ দিনে স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্মদান করেন নারীরা। গর্ভধারণের গড় সময় গবেষণায় জানা গেছে, গড়ে একজন নারী গর্ভধারণের ৮ মাস ২৪ দিন, ১৬ ঘণ্টা পর সন্তান জন্মদান করেন। তবে ওপরের সংখ্যাটি যে সব নারীর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হবে, এমন কোনো কথা নেই। কারণ নানা কারণে এ সময়টি এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে যেতে পারে।

নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ, লাশ হয়ে ভেসে উঠল স্বপ্না!

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সহপাঠিদের সাথে বংশাই নদীতে গোসল করতে নেমে সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে স্বপ্না আক্তার (১১) নামের ৫ম শ্রেণির এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে বাড়ীর পাশে বংশাই নদীতে এ ঘটনা ঘটে। এরপর বিকেল ৩ টার দিকে স্বপ্নার মৃত দেহ নদীতে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। স্বপ্না উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের ঘাঘড়া পশ্চিম পাড়া (বন্দহাওরা) গ্রামের মজিবর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় চারি শিমুল (দক্ষিণ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী।

উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আব্দুল্লাহ আল মামুন এ মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়টি বিডি২৪লাইভ কে নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, বাড়ীর পাশে বংশাই নদীতে সহপাঠিদের সাথে গোসল করতে গিয়ে স্বপ্না পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে বাড়ীর লোকজন ও পাড়া প্রতিবেশি খোঁজা-খুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে বেলা ৩ টায় স্বপ্নার মরদেহ নদীর পানিতে ভেসে উঠে। পরে পরিবােরর লোকজন স্বপ্নাকে স্থানীয় বাজারে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরাও তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এদিক, স্বপ্নার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।বাবা-মায়ের সঙ্গে ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে আদিয়া ইসলাম (১০) নামের এক স্কুল ছাত্রী। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

আজ শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুস্তা এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। আদিয়া ইসলাম মিরপুর গার্লস স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী। সে ঈদের ছুটিতে মা-বাবার সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। ঘিওর থানার পরিদর্শক (তদন্ত)আনিছুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকার মিরপুর শাহআলী এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম ঈদের ছুটিতে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ঘিওরের কুস্তা গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যান।
দুপুরে দুই মেয়েকে নিয়ে আমিরুল ও তাঁর স্ত্রী বাড়ির পাশের ধ‌লেশ্বরী নদীতে গোসল করতে যান।

এ সময় আমিরুল ছোট মেয়েকে কোলে এবং বড় মেয়ে আদিয়াকে কোমরে জড়িয়ে গোসল করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ দেখেন বড় মেয়ে আদিয়া নেই। কখন কোমর ছেড়ে আদিয়া গভীর পানিতে তলিয়ে গেছে তা টেরও পাননি তিনি। এ সময় স্বামী-স্ত্রীর আহাজারিতে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে যান। তাৎক্ষনিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা আদিয়াকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। কিন্তু নদীতে স্রোত থাকায় তা‌কে উদ্ধার কর‌তে পা‌রে‌নি ।

পরে ঘিওর ফায়ার সার্ভিস‌কে খবর দেওয়া হলে তাদের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত আদিয়ার কোন সন্ধান মেলেনি।

সবাইকে অবাক করে পুরুষের সহ’বাস ছাড়াই মা হলেন ডাক্তার শিউলি!

পুরুষের সম্পর্ণ সহ’বাস ছাড়াই স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে বিয়ে ছাড়াই সিঙ্গেল মা হলেন বাঙালী ডাক্তার শিউলি। অবশ্য এজন্য তার ল’ড়াইও কম করতে হয় নাই। শিউলির মা হওয়ার পর থেকে আশ’ঙ্কা করা হচ্ছে বিবাহ প্রথা বেশি দিন টিকে থাকবে না।

সন্তান জন্ম দানে পুরুষের ভূমিকা গৌণ তা প্রমাণ করলেন ওই নারী। এখন থেকে আর নারী নি’র্যাতন হবে না । এখন দেখার বিষয় বাঙালি নারীরা এ পন্থা অবলম্বন করে কি না?

বাঙালী ডাক্তার প্রমাণ করলেন , বাঙালীরাই পথ দেখাবে সচেতনতার ও বিজ্ঞানের নানা কী’র্তির। তারা আলোর দিশা। অন্ধকার অচলায়তন ভেঙে শিখা চিরন্তন।ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় । নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়।

কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি। বন্ধ্যাত্ব নিরসন তার যেন উপাসনা। শত নারীর মুখে মাতৃত্বের হাসি ফোটানো। । বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দেন সেবার ভিত্তিতে ন্যূনতম খরচে। এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন।

ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলি এখন এক পুত্র সন্তানের মা।

৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী’ লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’

তিনি জানান, শেষে আ’দালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শি’শুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।

শি’শু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতালে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।’

প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী’-রোগ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শি’শুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি।

শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া