সরকারের ক্যাডাররা দলের হাই কমান্ড থেকেই দুর্নীতির পাঠ গ্রহণ করেছে : চরমোনাই পীর

গত শনিবার বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউতে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর ২৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চরমোনাই পীর বলেন, সম্প্রতি খবরের কাগজে দেখতে পেলাম- খাগড়াছড়িতে ঘর মেরামতের কাজে একটি ঢেউটিনের দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা। রেলওয়ের প্রকল্পে ক্লিনারের বেতন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রকল্পে ৪১ কর্মকর্তা পানি বিশুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণের নামে আনন্দ ভ্রমণে গিয়েছেন উগান্ডায়। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের নামে এভাবে চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতির ও মহোৎসব।




ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র আমীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, ক্ষমতাসীন দল তাদের দলীয় ক্যাডারদের ব্যাবহারের মাধ্যমে ভোট কারচুপি করে ক্ষমতায় এসেছে। একারণে দলের কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত দলীয় অধিকাংশ কর্মীরা দুর্নীতিগ্রস্থ। এরা মূলত দলের হাই কমান্ড থেকেই দুর্নীতির প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করেছে। দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরে দুর্নীতি মহড়া চলছে, যা খুবই পরিতাপের বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ পাওয়া দুর্নীতিসমূহ কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মেনে নিতে পারেনা। তারপরেও তারা আশ্চর্যজনকভাবে বিচারের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।




ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক এম. হাছিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব একেএম আব্দুজ্জাহের আরেফীর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, নৈতিকতাবিবর্জিত সনদমূখী শিক্ষার কারণে দেশে দুর্নীতি বেড়ে চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজগুলোতে গ্রহণযোগ্য ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় ক্যাম্পাসগুলো থেকে যোগ্য নেতৃত্ব উঠে আসছেনা। ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নামে পেশীশক্তি ব্যবহার করার কারণে ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। অপরদিকে বেকারত্বের বোঝা দিনকেদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।




সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, যখন এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮২.২০ শতাংশ এবং এইচএসসিতে পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের র‌্যাংকিংয়ে এক হাজারের মধ্যেও যায়গা না পাওয়ায় আমরা খুবই হতাশ হয়েছি। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার মান এত নিম্ন স্তরে থাকায় এদেশের ছাত্র-জনতা ও সচেতন মহল শঙ্কিত। একই সাথে একটি দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এবং শিক্ষার মানে সমুদ্রের তলদেশে অবস্থান করতে পারেনা। এটা সরকারের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ সুতরাং দেশে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।




বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, জামেয়া ইসলামিয়া মাহমূদিয়ার মুহতামীম মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, ইশা ছাত্র আন্দোলন-এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ খলিলুর রহমান ও মাওলানা নূরুল ইসলাম আল-আমিন।




সমাবেশে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও যোগাযোগ কে.এম.শরীয়াতুল্লাহ, অর্থ ও কল্যাণ সম্পাদক গাজী মুহাম্মাদ ওসমান গণী, সদস্য মুহাম্মাদ ইবরাহীম হুসাইন, বরিশাল জেলা সভাপতি আরমান হোসাইন রিয়াদ, মহানগর সভাপতি এস.এম.ছাব্বির রহমান সহ বরিশাল বিভাগের আওতাধীন জেলা শাখার সভাপতিবৃন্দ।

আজ আর পারলেন না আফিফ চেষ্টা করেও!

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজ প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ম্যাচটি শুরু হয়েছে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে জিতিয়েছিলেন লড়াকু এক ইনিংস খেলে। এবারও যখন নামলেন সেই একই অবস্থা দলের। চেষ্টা করেও ছিলেন। তবে আজ আর পারলেন না আফিফ হোসেন ধ্রুব।গুলবাদিন নাইবকে উড়িয়ে মেরেছিলেন, তবে লং অফের সীমানা থেকে কিছুটা লাফিয়ে বল তালুবন্দী করেন নাজিবুল্লাহ। আফিফের লড়াই থামে ১৪ বলে ১৬ রানে।১৮ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারানো বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২০।




নবির ব্যাটে আফগানিস্তানের লড়াকু সংগ্রহ
শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানেক চেপে ধরেছিলেন সাইফউদ্দিন-সাকিব আল হাসানরা। শুরুতে স্পিন আর পেসের সমন্বয়ের সেই চাপ সামলে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। মাঝে মোহাম্মদ নবি আর আসগর আফগানের দারুন এক জুটিই অবশেষে লড়াকু সংগ্রহ পায় রশিদ খানের দল।নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৬৪ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন নবি। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার সাইফউদ্দিন। তার আগের সেরা ছিল ২/৫৩। বাকি দুটি শিকার অধিনায়ক সাকিবের।জিততে হলে বাংলাদেশের চাই ১৬৫।




আশা দেখিয়ে ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ-সাব্বির
শুরু থেকেই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে উঠে খেলছিলেন দারুণ। সাব্বির রহমানকে নিয়ে জুটিতে দলকে দেখাচ্ছিলেন ভালো কিছুর স্বপ্ন। মাঝপথে এসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিদায়ে ফিকে হতে বসেছে বাংলাদেশের জয়ের আশা।৪ বলে উপহার দিয়েছিলেন ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি। এক-দুই নিয়ে খেলছেন সাব্বির। এখনও কোনো বাউন্ডারি আসেনি তার ব্যাট থেকে। মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছিল পাঁচটি বাউন্ডারি। তবে দু’জনেই বিদায় নিয়েছেন পিছুপিছু।




গুলবাদিন নাইবের একটি স্লোয়ারে মারতে চেয়েছিলেন বড় শট। কিন্তু ঠিকমত ব্যাটে-বলে না হওয়ায় ডিপ মিড উইকেটে নাজিব তারাকাইয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাহমুদউল্লাহ থামেন ৪৪ রানে।এর পরের ওভারে মুজিব উর রহমানকে মারতে গিয়ে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে গুলবাদিন নাইবের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ২৭ বলে ২৪ করা সাব্বিরও। ১৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯৭। ক্রিজে আছেন আগের ম্যাচের দুই জয়ের নায়ক আফিফ হোসেন ধ্রুব ও মোসাদ্দেক হোসেন।




রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির
রশিদ খানের বলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন সাব্বির রহমান।রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ঠিক মতো খেলতে পারেননি। আম্পায়ার জোরালো আবেদনে সাড়া দেওয়া মাত্র রিভিউয়ের ইশারা দেন সাব্বির।স্নিকোতে পাওয়া যায় গ্লাভসে বল লাগার প্রমাণ। পাল্টায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত। সে সময় ৮ রানে ছিলেন সাব্বির।১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫৯/৪। আফগানিস্তানের স্কোর ছিল ৬০/৪। শেষ ওভারে আফগানরা তুলেছিল ১০৪ রান। মাহমুদউল্লাহ ২৭ ও সাব্বির ৯ রানে ব্যাট করছেন।




সংক্ষিপ্ত স্কোর :
আফগানিস্তান : ২০ ওভারে ১৬৪/৬ (রহমানউল্লাহ ০, জাজাই ১, নাজিব ১১, আসগর ৪০, নাজিবউল্লাহ ৫, নবি ৮৪*, নাইব ০, জানাত ৫*; সাইফ ৪-০-৩৩-৪, সাকিব ৪-১-১৮-২, মুস্তাফিজ ৪-০-২৫-০, তাইজুল ৪-০-৩২-০, সৌম্য ২-০-৩১-০, মোসাদ্দেক ১-০-১২-০, মাহমুদউল্লাহ ১-০-৩-০)।

ফিরেই সাইফউদ্দিনের জোড়া আঘাত
সাইফ-সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরু থেকেই খাবি খাচ্ছে আফগানিস্তান। একে একে ব্যাটসম্যানদের আশা যাওয়ার মিছিলে একটি জুটির বড্ড প্রয়োজন ছিল রশিদ খানের দলের। সফরকারীদের সেই স্বস্তি এনে দিয়েছিলেন আসগর আফগান ও মোহাম্মদ নবি।
তবে দ্বিতীয় স্পেলে ফিরেই সাইফউদ্দিনের জোড়া আঘাতে ফের দিশেহারা আফগানিস্তান। এই পেসারকে লং অন দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সাব্বিরের বিশ্বস্ত হাতে ধরা পড়েন আফগান (৩৯)। ভাঙে নবির সঙ্গে ৭৯ রানের জুটি।




ওভারের পঞ্চম বলে আবার আঘাত হানলেন সাইফ। গুলবাদিন নাইবকে এবার বোল্ড করে নিলেন নিজের চতুর্থ উইকেট।১৮ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারানো আফগানিস্তানের সংগ্রহ ১৪৪। সফরকারীদের আশার বাতি জ্বালিয়ে ৬৯ রানে ব্যাট করছেন নবি।প্রথম বলেই গুরবাজকে ফেরালেন সাইফউদ্দিনতখনও আসন পেতে বসা হয়নি খেলা দেখতে আসা বেশির ভাগ দর্শকদেরিই। এরই মধ্যে যারা এসে পৌঁছেছেন তাদেরই উল্লাসে মাতিয়েছেন সাইফউদ্দিন। ইনিংসের প্রথম বলেই সরাসরি বোল্ড করে ফিরিয়েছেন আগের ম্যাচে ঝড়ো শুরু করা রহমানউল্লাহ গুরবাজকে।এক ওভার শেষে এক উইকেট হারানো আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৫।




বাংলাদেশ : লিটন দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাউফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।
আফগানিস্তান : হজরতউল্লাহ জাজাই, রহমতউল্লাহ গুরবাজ, নাজিব তারাকাই, আসগর আফগান, মোহাম্মদ নবি, নাজিবুল্লাহ জাদরান, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান (অধিনায়ক), করিম জানাত, ফরিদ আহমেদ ও মুজিব-উর-রহমান।টি-টোয়েন্টিতে দু’দলের মিুখোমুখি অতীত মোটেই সুখকর নয় বাংলাদেশের জন্য। এর আগে ক্রিকেটের ছোট্ট এই ফরম্যাটে ৪ বারের দেখায় মাত্র একটি জয়ের বীপরিতে ৩ বার হারের লজ্জায় পড়তে হয়েছে সাকিব আল হাসানের দলকে।
তবে জয়টিও এসেছিল এই মিরপুরেই, সেই ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপে। সই সুখস্মৃতি নিয়ে আজ কি বাংলাদেশ পারবে, নিজেদের দিকে পাল্লাটা আরেকটু ঝুঁকিয়ে নিতে?




সাকিবকে হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ
দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে টানতে পারলেন না সাকিব আল হাসান। মুজিব উর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন অধিনায়ক।
আফগান অফ স্পিনারের বল স্টাম্প ছেড়ে খেলছিলেন সাকিব। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে অনুসরণ করে বল করছিলেন মুজিব। তেমন এক বলে মিড অনে সহজ ক্যাচ তুলে দেন সাকিব। ১৩ বলে দু্ই চারে ১৫ রান করেন তিনি।স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড মুশফিক
আগের বলে দারুণ এক কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। পরের বলে খেলতে গেলেন পাগলাটে এক শট। ব্যাটে-বলে করতে না পেরে ফিরলেন বোল্ড হয়ে।স্টাম্পে থাকা ফরিদ আহমেদের বল স্কুপ করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। লাইন মিস করায় এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্পস। অথচ এই ওভারের প্রথম চার বল থেকে এসেছিল ৯ রান, ঝুঁকির কোনো প্রয়োজন ছিল না। ২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২/২। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মাহমুদউল্লাহ।

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে রয়েছেঃমার্কিন প্রতিনিধি দল!

একটি বিশেষ বিমানে করে মার্কিন প্রতিনিধি দলটি সকাল ১০ টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছান। এর পর তাঁরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে উখিয়ার ১৮ নং কয়াম্পে যান। রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে আছে জানিয়ে তাঁরা রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতি জানান।মার্কিন প্রতিনিধি দলটি সেখানে রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলেন। বিশেষ করে নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারী শিশুদের সাথে কথা বলেন তাঁরা। সেখানে একটি হাসপাতালও পরিদর্শন করেন এই প্রতিনিধিদল।




উদ্ধাস্তু ও মানবিক বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের মার্কিন এই প্রতিনিধিদলটি এখন কক্সবাজারে রয়েছেন। রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে তাঁরা কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। এসময় কক্সবাজার সদরের ইউএনও এ.এইচ.এম মাহফুজুর রহমান, জেলা প্রশাসনের এনডিসি জয়নাল আবেদীন, ইউএনএইচসিআর-এর কর্মকর্তারা তাদেরকে স্বাগত জানান।




রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে আছে জানিয়েছেন, কক্সবাজার সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধাস্তু ও মানবিক বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল।জানা গেছ, রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও সমসাময়িক ঘটনাবলী নিয়ে আরআরসি অফিস, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে তাঁরা বৈঠক করার কথা রয়েছে ।




এসময় তাঁদের সাথে আরো ছিলেন, শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে কক্সবাজার আসা বাংলাদেশস্থ আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।আমেরিকান প্রতিনিধি দলটি রবিবার শহরের নুনিয়াছটায় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁরা মৎস্যজীবী জেলেদের জীবনমান সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের পরিচালক (অর্থ) ও যুগ্মসচিব রশিদ আহমদ। এর আগেই তিনি কক্সবাজার এসে পৌঁছান।




জানা গেছে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে কক্সবাজারে আসা আমেরিকান রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ও মার্কিন প্রতিনিধি দলটি রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রত্যাবাসনে সৃষ্ট জটিলতা, এনজিও এবং আইএনজিও’র কর্মকান্ড সহ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয়ে আরআরসি ও জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে।




প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট http://www.dpe.gov.bd/ তে। চার ধাপে এ পরীক্ষার ফলাফল পিডিএফ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে৷প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল দেখতে http://www.dpe.gov.bd/site/view/notices এই লিংকে ক্লিক করতে হবে। এরপর পিডিএফ ফরমেটে ফলাফল প্রকাশ সম্পর্কিত ফাইল দেখতে পাবেন। উক্ত ফাইলটি ডাউনলোড করে শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল দেখতে পারবেন।




প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়।
১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে প্রায় ২০০ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।




সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮’ ৬৩ জেলায় আয়োজিত লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সারাদেশে লিখিত পরীক্ষায় মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন প্রার্থী পাস করেছেন।

সরকারকে হটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে -সোহেল

ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রসঙ্গে হাবীব উন নবী সোহেল বলেন, ‘শুধুমাত্র তাদেরকে পদচ্যুত করলেই হবে না। তারা অপরাধী, তাদের বিচার করতে হবে। আজকের এই মানববন্ধন থেকে বলতে চাই, যারা সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ে থেকে ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করেছেন, ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছেন তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিত। তাদের বিচার হবে না, এমনটি হতে পারে না।




আইনি প্রক্রিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি হাবীব উন নবী খান সোহেল। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে কঠিন আন্দোলনের প্রয়োজন। যেই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটবে এবং বেগম জিয়া মুক্ত হবে। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।




হাবিব উন নবী সোহেল বলেন, যখন দেশের প্রচলিত আদালতগুলোতে ন্যায় বিচার পাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যায় দেশের সাধারণ মানুষ যখন আদালত থেকে প্রচলিত আইনে বিচার পায় না তখন সবার মুক্তির লক্ষ্যে আর একটি আদালত তৈরি হয়ে যায়। সেই আদালতের নাম জনতার আদালত। সেই আদালতে জানালা নাই খাস কামরা নাই লাল টেলিফোনও নাই। জনতার সেই আদালত ইতোমধ্যে বসেছে। সেই আদালতে বেগম জিয়া নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে।




তিনি বলেন, এদের (শোভন-রব্বানী) তো বয়স বেশি না। এদের তো গডফাদার আছে। বড় ভাই আছে। যারা এদেরকে চাঁদাবাজি শিখিয়েছে। শুধুমাত্র এই দু’জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না, যারা এদেরকে চাঁদাবাজি শিখিয়েছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে সোহেল বলেন, আমি জানি, হয়তো ওবায়দুল কাদের সাহেব কালকেই বলবেন ৮৬ কোটি টাকা কি কোনও টাকা হলো? তিনি বলবেনইবা না কেন, যে দেশে পর্দার দাম ৭০ হাজার টাকা আর বালিশের দাম পড়ে ৭ হাজার টাকা সেই দেশে কাদের সাহেবদের জন্য ৮৬ কোটি টাকা তো কোনও টাকাই না!




সোহেল বলেন, আমরা দেখেছি, সাজা হওয়ার পরেও নাজমুল হুদা, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ আরও অসংখ্য নেতা জামিনে মুক্ত হয়ে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ কোর্টের ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে আমাদের নেত্রীকে সাজা দিয়ে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তিনি জামিন পান না। এর নাম কি ন্যায়বিচার?’
বিচারকদের উদ্দেশ্যে সোহেল বলেন, আমরা কী বলব আপনাদেরকে? ইহকালে যদিও পার পেয়ে যাবেন কিন্তু পরকালে যে আদালত বসবে সেখানে কিন্তু আপনারা বিচারকের চেয়ারে বসবেন না। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন। আমাদের নিরাপরাধ নেত্রী জামিন পাবেন না, অথচ হুদা সাহেব মায়া সাহেবরা মুক্ত বিহঙ্গের মতো ঘুরে বেড়াবেন এটা আমরা মানতে পারি না।




দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দুর্ভাগা’ উল্লেখ করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্ভাগা বলছি এই কারণে যে, দেশে এখন নিম্ন আদালতে বিচার পাওয়া যায় না, উচ্চ আদালতে বিচার পাওয়া যায় অনেক ক্ষেত্রে। কিন্তু আমাদের নেত্রী দুর্ভাগ্যবান এই কারণে যে, তিনি নিম্ন আদালতের বিচার তো পেলেনই না, উচ্চ আদালতের বিচার থেকেও বারবার বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী ন্যায়বিচার চেয়ে যখন আদালতে আবেদন করেন দুঃখজনক হলেও সত্যি উনাদের (বিচারকদের) প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, উনারা যেন আমাদের নেত্রীকে ন্যায়বিচার দেয়ার মধ্যে নিজেদেরকে তখন এসকে সিনহা সাহেবের পরিণতির কথা ভাবেন। ওনাদেরকে (বিচারকদের) বলবো- বাঘ হতে হবে এমন কোনও কথা নেই।




আমরা প্রত্যাশা করি, ন্যায়বিচার প্রদানে আপনারা ‘বাঘের মতো’ হবেন। বাঘ হতে না পারলেও বাঘের লেজ তো হবেন। আমাদের নেত্রী বিচার চান, আর কিছুসংখ্যক বিচারক শুনানি শেষ করে দশ মিনিটের ব্রেক দেন। এটা আবার কীসের ব্রেক? ১০ মিনিটের ব্রেক মানে লাল টেলিফোনের ব্রেক।
আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মাহাতাবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ও মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আবদুর রহীম প্রমূখ বক্তব্য দেন।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জান্নাত সম্পর্কে ৪০ টি বাণী!

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের জন্য জান্নাত সম্পর্কে ভবিষ্যত বাণী করে গিয়েছেন। আসুন জেনে নেই জান্নাত সম্পর্কে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর বাণীগুলিঃ

১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর উম্মতের মধ্য মধ্য থেকে ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে।- [আহমদ, তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- আবু ওমামা (রা.)] ২) যারা রাতে আরামের বিছানা থেকে নিজেদের পার্শ্বদেশকে দূরে রেখেছিল, এমন অল্প সংখ্যক লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অবশিষ্ট সকল মানুষ হতে হিসেব নেয়ার নির্দেশ করা হবে। [বায়হাকি- আসমা (রা.)] ৩) জান্নাতে জান্নাতবাসীরা প্রতি জুমাবারে বাজারে মিলিত হবে এবং জান্নাতে জান্নাতবাসীদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। [মুসলিম- আনাস রা.)]




৪)যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে, তাকে (সমাজে কুরআনের বিধান) প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে, কুরআনে বর্ণিত হালালসমূহকে হালাল জেনে মেনেছে, হারামগুলোকে হারাম মনে করেছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের জাহান্নামযোগ্য ১০ জনে বিষয়ে সুপারিশ করতে পারবেন। (তিরমিযী হযরত আলী হতে) সূত্র: অনলাইন থেকে সংগৃহীত।
৫)বারা বিন আযেব (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: কবরে মুমিন বান্দার কাছে দু‘জন ফেরেশতা আসে তাকে উঠিয়ে বসাবেন। তার পর তাকে জিজ্ঞেস করবেন: তোমার রব কে? সে উত্তর দেয় আমার রব ‘আল্লাহ’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমার দ্বীন কি? সে উত্তর দেয়, আমার দ্বীন ‘ইসলাম’। তারা জিজ্ঞেস করবেন, তোমাদের মাঝে যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে উত্তর দেয়, তারা উত্তর দেয়, তিনি হলেন ‘আল্লাহর রাসূল’।




তারা জিজ্ঞেস করবেন, তুমি এসব কিভাবে জানলে? সে উত্তর দেয়, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তাঁর উপর ঈমান এনেছি ও তাঁকে সমর্থন করেছি। তখন আকাশ থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন- আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমার বান্দার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাাতের পোশাক পরিয়ে দাও এবং তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খুলে দাও। তখন তা খুলে দেয়া হয়। রাসূল (সা.) বলেন: ফলে তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধ বাতাস এবং সুগন্ধি আসতে থাকে। তার জন্য কবরের স্থানকে দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়। (আহমদ আবু দাউদ)।




৬)জান্নাতের স্তর হবে ১০০টি এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তর জান্নাতুল ফেরদাউস। যখন তোমরা আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবে তখন জান্নাতুল ফেরদাউস চাইবে। [তিরমিজী ওবাই ইবনে সামেত (রা.)] ৭) জান্নাত সমস্ত পৃথিবী থেকে উত্তম। (মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.) ৮) জান্নাতবাসীনী কোন নারী (হুর) যদি পৃথিবীর দিকে উঁকি দেয়, তবে গোটা জগত আলোকিত হয়ে যাবে এবং আসমান জমীনের মধ্যবর্তী স্থান সুগন্ধিতে মোহিত হয়ে যাবে। তাদের মাথার উরনাও গোটা দুনিয়া ও তার সম্পদরাশি থেকে উত্তম। [বুখারী- আনাস (রা.)]
৯) জান্নাতে একটি চাবুক রাখার পরিমাণ জায়গা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম। [মুয়াত্তা- আবু হুরাইরা (রা.)] ১০) জান্নাতের একটি গাছের নিচের ছায়ায় কোন সাওয়ারী যদি ১০০ বছরও সাওয়ার করে তবুও তার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১১) জান্নাতে মুক্তা দিয়ে তৈরী ৬০ মাইল লম্বা একটি তাঁবু থাকবে। জান্নাতের পাত্র ও সামগ্রী হবে সোনা ও রুপার। [বুখারী, মুসলিম আবু মুসা (রা.)]




১২)জান্নাতবাসীরা সব সময় জীবিত থাকবে। কখনো মৃত্যুবরণ করবে না। সব সময় যুবক থাকবে বৃদ্ধ হবে না। [মুসলিম আবু সাঈদ (রা.)] ১৩) জান্নাতে (এমন) এক দল প্রবেশ করবে, যাদের অন্তর হবে পাখিদের অন্তরের মতো। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)] ১৪) জান্নাতবাসীদের প্রতি আল্লাহ বলবেন, আমি তোমাদের উপর সন্তুষ্টি দান করেছি, তোমাদের উপর আর কখনো অসন্তুষ্ট হবো না। [বুখারী, মুসলিমআবু সাঈদ (রা.)]
১৫) জান্নাতের নহরে পরিণত হবে- সায়হান, জায়হান, ফোরাত ও নীল নদী। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৬) জান্নাতে বান্দার আশা আকাঙ্খার দ্বিগুণ দেয়া হবে। [মুসলিম – আবু হুরায়রা (রা.)] ১৭) জান্নাতের দরওয়াজা ৪০ বছরের দুরত্বে সমান, এমন এক দিন আসবে যে তাও ভরপুর হয়ে যাবে। [মুসলিম-উতবা ইবনে খাজওয়ান (রা.)]




১৮) জান্নাতের ইট স্বর্ণ ও রোপ্য দ্বারা তৈরী। কঙ্কর হলো মনি মুক্তা, আর মসল্লা হলো সুগন্ধীময় কস্তুরী। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৯) জান্নাতের সকল গাছের কা- হবে সোনার। [তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২০) জান্নাতের ১০০ টি স্তর আছে, দু’স্তরের মধ্যে ব্যবধান শত বছরের। [(তিরমিজী – আবু হুরায়রা (রা.)] ২১) জান্নাতের ১০০ স্তরের যে কোন এক স্তরে সারা বিশ্বের সকল লোক একত্রিত হলেও তা যথেষ্ট হবে। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)]
২২)পূর্ণিমা চাঁদের মতো রূপ ধারণ করে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ক) তাদের অন্তরে কোন্দল ও হিংসা বিদ্বেষ থাকবে না। (খ) তারা কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। (গ) তাদের পেশাব পায়খানা হবে না। (ঘ) তারা থুথু ফেলবে না। (ঙ) তাদের নাক দিয়ে ময়লা ঝরবে না। (চ) তাদের চিরুনী হবে সোনার চিরুনী। (ছ) তাদের ধুনীর জ্বালানী হবে আগরের। (জ) তাদের গায়ের গন্ধ হবে কস্তুরির মতো সুগন্ধি। (ঝ) তাদের স্বভাব হবে এক ব্যক্তির ন্যায়। (ঞ) তাদের শাররীক গঠন হবে (আদী পিতা) আদম (আ:) এর ন্যয়। [বুখারী, মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]




২৩)জান্নাতীদের খাবারগুলো ঢেকুর এবং মিশকঘ্রাণযুক্ত ঘর্ম দ্বারা নি:শেষ হয়ে যাবে। [বুখারী, মুসলিমযাবির (রা.)] ২৪) জান্নাতীরা সুখে শান্তিতে স্বাচ্ছন্দ্যে ডুবে থাকবে। হতাসা দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থাকবে না। পোশাক পরিচ্ছেদ ময়লা হবে না, পুরাতন হবে না। তাদের যৌবনও নিঃশেষ হবে না। [মুসলিম আবু হুরায়রা (রা.)]
২৫)জান্নাতের উচ্চ বিছানা (সুরুরুম মারফুআ) আসমান জমীনর মধ্যবর্তী ব্যবধানের পরিমাণ- ৫০০ শত বছরের পথ। [তিরমিজী আবু সাঈদ (রা.)] ২৬) জান্নাত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১০০ পুরুষের শক্তি দান করা হবে। [(তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৭) জান্নাতবাসীগণ কেশবিহীন দাড়িবিহীন হবে। তাদের চোক সুরমায়িত হবে। [তিরমিজ – আবু হুরায়রা (রা.)] ২৮) জান্নাতবাসীগণ ৩০ বা ৩৩ বছর বয়সীর মতো জান্নাতে প্রবেশ করবে। [তিরমিজী, ময়াজ ইবনে জাবাল (রা.)]




২৯) জান্নাতে অবস্থিত কাওসার এর পানি দুধ অপেক্ষা অধিক সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি হবে। [তিরমিজীআসান (রা.)] ৩০) জান্নাতবাসী উট ও ঘোড়া চাইলে দুটোই পাবে এবং তা ইচ্ছেমতো দ্রুত উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তাতে তুমি সে সব জিনিস পাবে যা কিছু তোমার মন চাইবে এবং তোমার নয়ন জুড়াবে। [তিরমিজী-আবু বুরাইদা (রা.)] ৩১) জান্নাতবাসীদের ১২০ কাতার হবে। তার মধ্যে ৮০ কাতার হবে এ উম্মতের। অবশিষ্ট ৪০ কাতার হবে অন্যান্য উম্মতের। [তিরমিজী- বুরাইদা (রা.)]
৩২) জান্নাতে একটি বাজার আছে সেখানে ক্রয়-বিক্রয় নেই। সেখানে নারী-পুরুষের আকৃতিসমূহ থাকবে। সুতরাং যখনই কেউ কোন আকৃতিকে পছন্দ করবে তখন সে সেই আকৃতি রূপান্তরিত হবে। [(তিরমিজী- আলী (রা.)]




৩৩) জান্নাতবাসীদের উপর এক খণ্ড মেঘ আচ্ছন্ন করে ফেলবে। তাদের উপর এমন সুগন্ধি বর্ষণ করবে যে, অনুরূপ সুগন্ধি তারা আর কখনো পায়নি। জান্নাতের বাজারে একজন আরেকজনের সাথে সাক্ষাত করবে এবং তার পোশাক পরিচ্ছদ দেখে আশ্চার্যান্নিত হবে। কিন্তু তার কথা শেষ হতে না হতেই সে অনুভব করবে যে, তার পোশাক তার চেয়ে আরো উত্তম হয়ে গেছে। এটা এ জন্য যে, জান্নাতে দুশ্চিন্তার কোন স্থান নেই। তাদের স্ত্রীদের কাছে ফিরে আসলে তারা বলবে তুমি আগের চেয়ে সুন্দর হয়ে ফিরে এসেছ। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ- সাইধ ইবনে মুসায়েব (রা.)]
৩৪) নিম্নমানের জান্নাতবাসীর জন্যে ৮০ হাজার খাদেম ও ৭২ জন স্ত্রী হবে। ছোট্ট বয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী লোক মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশের সময় ৩০ বছর বয়সী হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বয়স কখনো বৃদ্ধি হবে না। জান্নাতবাসীগণ যখন সন্তান কামনা করবে, তখন গর্ভ, প্রসব ও তার বয়স চাহিদা অনুযায়ী মুহূর্তের মধ্যে সংঘটিত হয়ে যাবে। [তিরমিজী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ- আবু সাঈদ (রা.)]
৩৫) জান্নাতে হুরদের সমবেত সংগীত শুনা যাবে। এমন সুরে যা আগে কখনো শুনা যায় নি। তারা বলবে আমরা চিরদিন থাকবো, কখনো ধ্বংস হবো না। আমরা সুখে আনন্দে থাকবো, কখনো দুঃখ দুশ্চিন্তা হবে না। আমরা সব সময় সন্তুষ্ট থাকবো, কখনো নাখোশ হবো না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ যার জন্যে আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি। [তিরমিজী- আলী (রা.]




৩৬) জান্নাতে রয়েছে, ১. পানির সমূদ্র ২. মধুর সমুদ্র ৩. দুধের সমুদ্র ৪. শরাবের সমুদ্র। তার পর তা থেকে আরো বহু নদী প্রবাহিত হবে।- [তিরমিজী- হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া (রা.)]
৩৭) জান্নাতে একজন কৃষি কাজ করতে চাইবে। তার পর সে বীজ বপণ করবে এবং চোখের পলকে অংকুরিত হবে, পোক্ত হবে এবং ফসল কাটা হবে। এমন কি পাহাড় পরিমাণ স্তুপ হয়ে যাবে। আল্লাহ বলবেন, হে আদম সন্তান! নিয়ে যাও, কোন কিছুতেই তোমার তৃপ্তি হয়না। [বুখারী – আবু হুরায়রা (রা.)]
৩৮) জান্নাতে এক ব্যক্তি ৭০টি তাকিয়ায় হেলান দিয়ে বসবে। এ শুধু তারই স্থান নির্ধারিত থাকবে। একজন মহিলা এসে সালাম দিয়ে বলবে, “আমি অতিরিক্তের অন্তর্ভুক্ত” তার পরনে রং বেরং এর ৭০ খানা শাড়ী পরিহিত থাকবে এবং তার ভিতর দিয়েই তার পায়ের নলার মজা দেখা যাবে। তার মাথার মুকুটের আলো পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থান রৌশনী করে দিবে। [আহমদ- আবু সাঈদ (রা.)]
৩৯) জান্নাতবাসীগণ নিদ্রা যাবে না। নিদ্রাতো মৃত্যুর সহোদর আর জান্নাতবাসী মরবে না। [বায়হাকী- যাবের (রা.)]৪০) আল্লাহ তায়ালা হিজাব বা পর্দা তোলে ফেলবেন, তখন জান্নাতবাসীরা আল্লাহর দিদার বা দর্শন লাভ করবে। আল্লাহর দর্শন লাভ ও তার দিকে তাকিয়ে থাকার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কোন বস্তুই এযাবত তাদেরকে প্রদান করা হয়নি। [মুসলিম- সুহায়ব (রা.)]

আপনারাই লিজেন্ড আমি নইঃমাশরাফি

সারা দেশের ‘এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২’ ব্যাচের সংগঠনের উদ্যোগে শুক্রবার সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় ‘বিগেস্ট ইভেন্ট’ নামে এই অনুষ্ঠান। এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার। প্রসঙ্গত, মাশরাফি ১৯৯৯ ব্যাচের হলেও তার স্ত্রী সুমনা হক ২০০০ এসএসসি ও ২০০২ এইচএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী।অনুষ্ঠানে মাশরাফিকে ‘লিজেন্ড’ হিসেবে স্বাগত জানানো হলে তিনি নিজে সেই স্বীকৃতি দেন আয়োজনে উপস্থিতদের।




আড়ালে থেকে নীরবে-নিভৃতে যারা কাজ করে চলেছেন, তাদেরকেই সত্যিকারের কিংবদন্তি বলে মনে করেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। আজ শুক্রবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।




নড়াইলের জন্য কাজ সুযোগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাশরাফি নিজ জেলার উন্নয়নে নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি চেষ্টা করছি আমার জায়গা থেকে নড়াইলের জন্য ভালো কিছু করার। সবার কাছে দোয়া চাই যেন কাজের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।মন্ত্রী বলেন, ‘মাশরাফী যেমন সুন্দর বলেন, তেমনি সে মানুষ হিসেবেও খুব ভালো। মাশরাফির যেকোনো প্রয়োজনে তার পাশে আমাকে পাবে।




মাশরাফি বলেন, ‘আজকে এখানে আপনারা শুধু আমাকেই লিজেন্ড বলে সম্মোধন করেছেন। এই কথাটিতে আমার আপত্তি আছে। আমি লিজেন্ড হতে পেরেছি কি না জানি না। তবে এখানে যারা উপস্থিত আছেন তাদের মধ্যে অনেকেই লিজেন্ড। যারা হয়ত ক্যামেরার সামনে আসেন না, যাদেরকে মানুষ কম চেনে কিন্তু তাদের অনেকেই লিজেন্ডারি কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে-নিভৃতে।




প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য মাশরাফি প্রেরণাদায়ী একজন। মাশরাফী একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, যার জন্য বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে। আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনেক সাফল্যের নায়ক আমাদের মাশরাফি। তাকে দেখে দেশের তরুণ প্রজন্ম দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে থাকে।




বক্তব্যে মাশরাফি জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য যার যার জায়গা থেকে ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, মাদক ও ধর্ষণের ভয়াবহতা তুলে ধরে সমাজের সবাইকে রুখে দাঁড়াতে অনুরোধ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইনজীবীদের তিনি আহ্বান জানান মাদক ও ধর্ষণের আসামিদের পক্ষে মামলায় না লড়তে। উপস্থিত আইনজীবীগণ সমস্বরে মাশরাফির এই আহ্বানে পাশে থাকার কথা জানান।

এবার ৯০ বছরে বৃদ্ধা কুরআনে হাফেজ হলেন !

২০১২ সালে ইটালীতে অনুষ্ঠিত বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় তিনি মিস ইউনিভার্স নির্বাচিত হন এবং এরপর তিনি আন্তর্জাতিক লাইমলাইটে চলে আসেন। অনেক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। অল্পসময় পরেই তিনি একজন সুপারমডেল হয়ে উঠেন। হলিডডের চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। ‘এমই লাভ’ ছবিতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগের ফিল্ম একাডেমির পরিচালক পদও লাভ করেন। ডিজাইনার হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিও অর্জন করেন। দুবাইয়ের নামকরা কোম্পানি আলি অ্যান্ড সন্স গ্রুপ কোম্পানি তাকে তাদের সেলস ম্যানেজার হিসেবে তাকে নিয়োগ করে।




যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বসরার বাসিন্দা হামাদিয়া জায়ায মুসা। তার বয়স এখন ৯০ বছর। ১৯২৯ সালে বসরার দক্ষিণে অবস্থিত আল-মুদাইনায় জন্ম হয় হামাদিয়া জায়ায়ের। বর্তমানে তিনি ঠিকমতো চোখে দেখতে পান না চলাফেরা করতে সহযোগী লাগে তার। আর এ বয়সেই তিনি পবিত্র কুরআন হেফজ করে বিশ্বে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। একটি আরবীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দীর্ঘ ৬ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে হামাদিয়া কোরআন হেফজ করতে সক্ষম হন। ইরাকের ইমাম হুসাইন (রা.) সমাধিস্থলে চালু হওয়া এক কোরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়মিত যেতেন হামাদিয়া।




তিনি বলেন, এতদিন খৃষ্ট ধর্মের অনুসারী হিসেবে জীবন যাপনের জন্য আজ তিনি অনুতপ্ত। তিনি জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা ও নিজ দেশ ছেড়ে তিনি দুবাইয়ে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে নারীকে দেয়া অধিকার ও মর্যাদা তাকে এই ধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ব্যাপারে তিন বছর ধরে চিন্তাভাবনা করছিলেন বলেও জানান তিনি। দুবাইয়ে এক প্রকাশ্য ঘোষণার মাধ্যমে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কথা জানান। লন্ডনে আরব জার্নাল ‘আল কুদস আল আরাবিয়ায়’ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী একজন আন্তর্জাতিক বিখ্যাত প্রোডকাশন ডিজাইনার, সুপার মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মার্কেটা কোরিনকোভার এই ঘোষণা তার ভক্ত-অনুরাগীদের বিস্মিত করেছে।




তিনি যখন ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন তখন ইসলামের সত্য তার সামনে প্রতিভাত হয়ে উঠে। ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ সন্মান ও মর্যাদা দিয়েছে আর পশ্চিমা বিশ্ব স্বাধীনতার নামে মহিলাদের নিয়ে খেলা করছে। তিনি বলেন, তিনি দুবাইয়ে স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যাতে আরো বেশী ইসলামী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন যে দীর্ঘদিন ধরে তার মনের মধ্যে একটি বোঝা অনুভব করছিলেন এবং কোন কারণ ছাড়াই তার মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা বিরাজ করছিল।




তিনি এ প্রশিক্ষণ প্রকল্পের একজন একনিষ্ঠ অংশগ্রহণকারী ছিলেন। নিয়মিত অধ্যয়নের ফলে তিনি ৯০ বছর বয়সে কোরআনে হাফেজা হওয়ার অনন্য রেকর্ড করেন। জানা গেছে, ওই প্রকল্পের অধীনে ইরাকের বিভিন্ন শহরের প্রায় ৪ হাজার ৬০০ নারী ও পুরুষ এখন পর্যন্ত কোরআনে হাফেজ হয়েছেন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে অনেকেই বেশ বয়স্ক। তম্মধ্যে হামাদিয়া জায়ায মুসা একজন। ওয়েবসাইট। আরো সংবাদ এবার চেক প্রজাতন্ত্রের সাবেক বিশ্ব সুন্দরী মার্কেটা খৃষ্ট ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ! চেক প্রজাতন্ত্রো সাবেক বিশ্ব সুন্দরী মার্কেটা কোরিনকোভা খৃষ্ট ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নাম বদল করে রেখেছেন মরিয়ম।




প্রাগের চালর্স ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজী সাহিত্যে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি লন্ডনের রয়েল কলেজ অব আর্ট’র ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যান্ড টিভি স্কুল থেকে প্রোডাকশন ডিজাইনের উপর এমএ করেন। তিনি কিছুদিন বিবিসিতেও কাজ করেছেন। মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব পাওয়ার পর তিনি বিরাট উচ্চতায় উঠে যান। তবে তিনি বলেন, সবকিছু পাওয়া সত্ত্বেও তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। মানসিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে তিনি সবকিছুই পরীক্ষা করেছেন। তিনি মদ্যপানের আশ্রয় নেন, গান-বাজনার দিকে ঝুঁকে পড়েন, জুয়া খেলায় মেতে উঠেন কিন্তু কিছুই তার মনকে শান্ত করতে পারেনি।




ইসলামের পবিত্র কালেমা পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে মনের সেই অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি পশ্চিমা পোষাক ত্যাগ করে হিজাব পড়তে শুরু করেন। হিজাব পরিহিত ছবি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে পোস্ট করেন যা দেখে তার ভক্তরা অবাক হয়। প্রথমে তারা মনে করেছিল কোন আরব ফ্যাশন শোতে অংশ নেয়ার ছবি তিনি পোস্ট করেছেন। তিনি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং নিজের নাম বদলের কথা ঘোষণা করেন তখন তাদের বিস্ময় আরো বৃদ্ধি পায়।




সে সময় তার এক বন্ধুর পরামর্শে তিন বছর তিনি বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করেন। জন্মগত খ্রিস্টান হিসেবে তিনি খৃষ্টধর্মে মানসিক সান্ত¦না খুঁজে পাননি। খৃষ্ট ধর্মে ভীতশ্রদ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং এতে তার চোখ খুলে যায়। ইসলাম ধর্ম নারীকে যে মর্যাদা দান করেছে তা জেনে তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। সংযুক্ত আরব আমীরাতে কিছুদিন থাকার পর তিনি দুবাইয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ছোটবেলায় তাকে বলা হয়েছিল, ইসলাম ধর্ম নারীদের কোন মর্যাদা দেয়না।

৩১৯৯ বার ওমরাহ পালন করে বিশ্ব রেকর্ড করলেন সৈয়দ দিলনাওয়াজ শাহ!

ওমরাহ করা হজের তুলনায় যথেষ্ট সহজ। কিন্তু একজন মানুষ সর্বোচ্চ কয়টি ওমরাহ করতে পারেন? ৫, ১০, ২০, ৫০ কিংবা সর্বোচ্চ ১০০টি! আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এক পাকিস্তানি ভদ্রলোক মোট ওমরাহ করেছেন ৩ হাজার ১৯৯টি। এমন কীর্তি ও সৌভাগ্যের অধিকারী ব্যক্তির নাম সৈয়দ দিলনাওয়াজ শাহ।পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নেশন’ এমনটাই জানিয়েছে। এতগুলো ওমরাহ তিনি গত সতের বছরের বিভিন্ন সময়ে আদায় করেছেন।




সর্বাধিক সংখ্যক ওমরাহ পালনকারী সম্পর্কিত কোনো তথ্য নেটে সার্চ দিয়ে পাওয়া যায় না। পারিপার্শ্বিক অন্যান্য তথ্য-উপাত্তেও এমন কোনো হিসেব উল্লেখ নেই। সে সূত্রে ধারণা করা হয়, সৈয়দ দিলনাওয়াজ শাহ-ই সর্বোচ্চ ওমরাহ পালনকারী। অন্যদিকে, গত ২০ বছর ধরে তিনি টানা প্রতিদিন রোজা রাখছেন। তবে নিষিদ্ধ (ইসলামে) দিনের সময়ে তিনি রোজা রাখেন না। ১৯৯৯ সালের জুন থেকে এত দীর্ঘ সময় রোজা রাখা শুরু করেছেন তিনি।




এভাবে সব মিলিয়ে প্রায় ৫ ডজন ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন এ পবিত্র মাসে। এরপর রমজানের শেষ দশদিন তিনি মদিনা মুনাওয়ারায় পবিত্র মসজিদে নববীতে অতিবাহিত করেন। সৈয়দ দিলনাওয়াজ ছয় সন্তানের পিতা। ২০১২ সালে অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত তিনি করাচির একটি গ্যাস কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজার ছিলেন। গত ১৭ বছরের সময়কালে তিনি প্রায় প্রতি বছর একবার করে সৌদি আরব সফর করছেন।




বোদ্ধাদের ধারণা মতে, এমন সাফল্য ও সৌভাগ্য হয়তো আর কারো নেই। বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক ওমরাহ পালনকারী হিসেবে এমন চমৎকার ও সম্মানজনক অর্জনে তিনি রেকর্ড করেছেন। পবিত্র মক্কা শরিফে রমজানের বরকতময় মাস কাটানোর পর বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) তিনি নিজ শহর করাচিতে ফিরে আসেন। মক্কায় থাকাকালীন তিনি দৈনিক ৩টি করে ওমরাহ পালন করেন।




দেখে নিন বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হাতের লেখার অধিকারীকে
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী প্রকৃতি মাল্লা শুধুমাত্র হাতের লেখার মাধ্যমেই সারাবিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার হাতের লেখা দেখলে যে কেউ বলবে, কম্পিউটারের কোনো ফন্ট! অনেক সময় তার হাতের লেখা এমএস ওয়ার্ডের চেয়েও বেশি সুন্দর হয়। নেপালের এই অধিবাসী ইতোমধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হাতের লেখার অধিকারীর খেতাব পেয়েছে। কয়েকমাস আগে আগে নেপালের এক ভদ্রলোক তার হাতের লেখার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেন এবং কিছুদিনের মধ্যে সারা বিশ্বে এটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।




এখন সে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় এবং মানুষ তার লেখা পড়তে বেশ আগ্রহী। নিজেদের হাতের লেখা আরও বেশি সুন্দর করতে প্রকৃতি মাল্লার লেখা সবাইকে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।প্রকৃতি মাল্লার হাতের লেখা দেখলে মনে হয় কম্পিউটারের কোনো ফন্ট। তার লেখার মাঝখানের ফাকা জায়গাগুলো সব সমান। এছাড়াও সে লিপিবিদ্যার নতুন একটি উচ্চতা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তার লেখা নিখুঁতের প্রায় কাছাকাছি। একারণে তার হাতের লেখা নেপালের সবচেয়ে সেরা। প্রকৃতি মাল্লা সৈনিক আওয়াসিয়া মহাবিদ্যার ছাত্রী। অসাধারণ হস্তাক্ষরের জন্য নেপালি সশস্ত্র বাহিনী থেকে তাকে পুরস্কৃত করা হয়।

পর্নো সাইট ব্লক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার!

ব্রডব্যান্ড সংযোগে এ বিষয়ে আইএসপিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, কেবল ইন্টারনেট নয়, নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে। এ নিরাপত্তা ডিজিটাল বাংলাদেশ, সমাজ, পরিবার, ব্যক্তি সব মিলে নতুন প্রজন্মের সবার জন্য। আর এর দায়িত্ব সমাজের সবার।সন্তানদের পর্নো আসক্তি ঠেকাতে যাতে অভিভাবকরা নিজ থেকেই ব্যবস্থা নিতে পারে, সেজন্য মোবাইল ফোনে পর্নো সাইট ব্লক করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পর্নোগ্রা’ফি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্রডব্যান্ড সংযোগে যেকোনো ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট ব্লক করতে আইএসপিদের জন্য প্যারেন্টাল গাইড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর ক্ষেত্রেও প্যারেন্টাল গাইড বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।




এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, মোবাইলফোন অপারেটরগুলোকে প্যারেন্টাল গাইড বাধ্যতামূলক করতে শিগগিরই নির্দেশনা দেয়া হবে। এতে একজন অভিভাবক চাইলে তার সন্তান বা পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ইন্টারনেটে অশ্লীল, বিপজ্জনক, ক্ষতিকারক ওয়েবসাইট ও কনটেন্ট ব্লক করে দিতে পারবেন। তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।




বিকাশে ১০০ টাকা ফ্রি পাবেন যেভাবে
বিকাশের এই অফারগুলো ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত চলবে।তবে শুধু নতুন গ্রাহকদের জন্য নয়, পুরাতন গ্রাহকদের জন্য কিছু অফার দিয়েছে বিকাশ। যাদের বিকাশ একাউন্ট আছে তারা নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করে লগইন করলেই তাৎক্ষনিক ৫০ টাকা বোনাস পাবেন। এছাড়াও নতুন গ্রাহক অথবা প্রথমবার অ্যাপ ব্যবহারকারী নিজের অ্যাপ থেকে নিজের মোবাইলে প্রথমবার ২৫ টাকা রিচার্জ করলে পাবেন ৫০ টাকা তাৎক্ষণিক বোনাস।




মোবাইল ব্যাংকি ‘বিকাশ’ তার গ্রাহকদের জন্য বিনা মূল্যে ১০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। ব্রাক ব্যাংকের এ প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যাপে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে।বিকাশের নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাপ থেকে নিজের একাউন্ট খুলে বিকাশে লগ-ইন করলে নতুন গ্রাহক তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রথমবার ১০০ টাকা বোনাস পেয়ে যাবেন তার একাউন্টে।




নিয়মিত লেবু খাবেন যে কারণে
লেবু শুধু শরবত হিসেবেই নয় ওজন কমাতেও অনেকে খান। আসুন দেখে নেই লেবুর উপকারী দিকগুলো- ১।
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। একে অ্যাসকরবিক অ্যাসিডও বলা হয়। লেবুর রস কোলাগেন তৈরিতে সাহায্য করে। চামড়ায় ভাঁজ পড়া থেকে রক্ষা করে এই কোলাগেন। বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই কোলাগেন।




২,ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে থাকা থিয়ামিন ও রিবোফ্লাবিন শরীরে এনার্জি তৈরি করে। শরীরে কোষের বৃদ্ধি ও কোষকে কার্যক্ষম করে তুলতে সাহায্য করে লেবুর রস।
৩। খাবারে থাকা সালমোনেলা জীবাণুকে মারতে সাহায্য করে লেবুর রস। এই লেবুর রসের সঙ্গে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে বাথরুমে ঢাললে ১৫ মিনিটে তা পরিষ্কার হয়ে যায়।
৪।হার্টের রোগ সারাতেও কার্যকরী লেবুর রসে থাকা ফ্ল্যাভানয়েডস। শরীরের রক্ত থেকে ফ্যাট ও মিষ্টি দূর করতে সাহায্য করে এটি।
৫।মাড়ি থেকে রক্ত পরা, ফুলে যাওয়া এমন নানা কাজে আসে লেবুর রস। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি দাঁতের মাড়িকে রক্ষা করে।

ব্রিটেনে আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে সিলেটের মেয়ে এমপি প্রার্থী ।

ব্রিটেনে আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে ড. বাবলিন মল্লিককে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেছে সে দেশের উদার ধারার রাজনৈতিক দল লিবডেম (লিবারেল ডেমোক্র্যাট)।
কার্ডিফ সেন্ট্রাল আসনের জন্য প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ব্রিটেনে স্থায়ী আবাস গড়া বাবলিন। সাংবাদিকদের দেয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।




সেখানকার কাউন্টি কাউন্সিলের প্রথম বাঙালি ও মুসলিম নারী হিসেবে গত কাউন্সিল নির্বাচনে বিপুল ভোটে কাউন্টি কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই নারীকে এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে।ব্রেক্সিট ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে, অন্যদিকে ঠিক তেমনি ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও দেখা দিয়েছে জটিলতা। যার ফলে যে কোনো সময় সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা আসতে পারে।




তাই প্রতিটি রাজনৈতিক দল দেশজুড়ে এমপি প্রার্থী চূড়ান্ত করা শুরু করেছে। এই ধারাবাহিকতায় কার্ডিফ সেন্ট্রাল আসন থেকে ড. বাবলিন মল্লিককে লিবারেল ডেমোক্র্যাট (লিবডেম) পার্টি সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে। অ্যাডামসডাউন, পেন্টউইন, পেনিল্যান, সানকয়েড, রোথ এবং ক্যাথেস নিয়ে কার্ডিফ সেন্ট্রাল আসন গঠিত।




বাবলিন মল্লিক মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কচুয়া গ্রামের মোহাম্মদ ফিরোজের মেয়ে। ছোটবেলায় মা-বাবার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে আসেন তিনি। পরিবারের তিন সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ বাবলিন বায়ো কেমেস্ট্রিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন তিনি।কার্ডিফে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য শেকড় নামে একটি বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন বাবলিন। তিনি কমিউনিটির স্বার্থে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।




বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ার জঙ্গলে বাস করছেন বাংলাদেশি শ্রমিকরা
মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিতাড়নের আশঙ্কা ও নতুন করে কাজের অনুমতি পাওয়ার আশায় জঙ্গলে বাস করছেন উদ্বিগ্ন বাংলাদেশি শ্রমিকরা। তারা উন্নত জীবনযাপনের আশায় বাংলাদেশ থেকে সেখানে পাড়ি জমিয়েছিল। তবে এখন তারা সেখানকার জঙ্গল ও পাম ওয়েল বাগানে লুকিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।২০০৫ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩২১ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যুর খরব পাওয়া গেছে। যে সংখ্যা গত কয়েক বছর ধরে বাড়ছে। গত বছর ৭৩৬ জনের মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অধিকাংশের মৃত্যু হয় হৃদরোগে বা স্ট্রোকে। এ শ্রমিকদের বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে।




তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা মো. মুকছেদ আলি বলেন, “কোম্পানি কিছু শ্রমিককে তাদের ‘অপরাধের’ জন্য দÐ দিয়েছে”। অর্থাৎ ‘কোম্পানির নিয়ম ভঙ্গের’ জন্য তাদেরকে ছাঁটাই করা হয়েছে।বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ থেকে আসা মান্নান মিয়া বলেন, ‘আমি কামাল চন্দ্র দাস নামে এক দালালকে ১২ হাজার রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ার মুদ্রা) দিয়েছি।’ নতুন করে কাজের অনুমতি পাওয়ার জন্য এই টাকা তিনি দেন। তবে তিনি সাংবাদিককে এ অর্থ দেওয়ার কোনও প্রমাণ বা রসিদ দেখাতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘দালালদের কারণে আমার স্বপ্ন ভেঙে গেছে। কখনও মনে হয় না আমার পরিবারকে সহায়তা করতে পারব, আমি আমার জীবন নিয়েই ভীত। সারাদিন পরিশ্রম করার পর জঙ্গলে ঘুমাই।




মালয়েশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মালয়সিয়াকিনিকে উদ্ধৃত করে দেশটির সংবাদমাধ্যম মালয়মেইলে বলা হয়েছে, গত বছর কোম্পানি থেকে ছাঁটাই হওয়ার পর থেকে হাইওয়ের নিকট একটি পাম ওয়েল উপবনে পালিয়ে আছে ১৬ অভিবাসী শ্রমিকের একটি দল। এরা সবাই বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী। ওই কোম্পানিটি রাজধানী কুয়ালালামপুরের নিকটে অবস্থিত। শুক্রবারের ওই প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়ছে।বাংলাদেশের বরিশাল থেকে আসা আল-আমিন বলেন, ‘দেশে আমার বাড়ির গরুগুলো এর থেকে তুলনামূলক ভাল পরিবেশে আছে।’ তিনি ও অন্য বাংলাদেশি শ্রমিকরা দাবি করেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের অংশ নেওয়ার কারণে তাদেরকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে।