জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশীদ মিথিলা। নাটক এবং বিজ্ঞাপনে ব্যাপক প্র’শংসিত কুড়িয়েছেন তিনি। সম্প্রতি সো’শ্যাল মিডিয়ায় এই অভিনেত্রীকে নতুন একটি বি’জ্ঞাপনে দেখা গেছে।গেল ১১ নভেম্বর বি’জ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানটি তাদের ফেসবুক পেজে সেটি আপলোড করেছে। বিজ্ঞাপনের শুরুতেই মিথিলা বলেন, একটা নোং’রা কথা শু’নবেন?এরপর গু’রু’ত্ব’পূর্ণ তথ্য দেন এই অভিনেত্রী।




এরপর তিনি বলেন, নোং’রা টয়’লেটের কারণে আমাদের প্রায় দুই কোটি বাচ্চা (শিশু) মা’রাত্ম’ক স্বা’স্থ্য ঝুঁ’কিতে রয়েছে। কীরকম রোগ জানেন? টাইফয়েট, কলেরা, জণ্ডিস। তাই আজই যোগ দিন ‘নো মোর নোংরা টয়লেট’ অভিযানে। টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা বলুন, আওয়াজ তুলুন।মিথিলা এভাবেই বি’জ্ঞাপনে দ’র্শককে সচেতন করেছেন। মূলত এটি একটি টয়লেট ক্লি’নারের বিজ্ঞাপন।




আগামী ১৯ নভেম্বর বিশ্ব টয়লেট দিবস উপলক্ষে ‘নো মোর নোংরা টয়লেট’ স্লো’গান নিয়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের আয়োজন করা হয়েছে।পুলিশ স্টাফ কলেজ মিরপুরে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২.৩০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের আয়েজন করা হবে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ড’মে’ক্স’-এর ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বি’শ্বরেকর্ডে ব্যবহৃত সকল পণ্য দিয়ে আগামী ১ বছর দেশের শত শত স্কুলের টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানা যায়। এই রে’কর্ডের অংশ হতে চাইলে রে’জি’স্ট্রেশন করতে হবে




আরো পড়ুন আল্লারস্তে দুইডা পেঁয়াজ ভিক্কা দেইন্নীগো বাবা’ পেঁয়াজের দাম নিয়ে নতুন করে জানান দেওয়ার কিছু নেই। দেশের অন্যান্য জায়গার মতো ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একই অবস্থা। এই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ইতোমধ্যে অনেকেরই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এমনকি বাজার ঘুরতে গিয়ে দুজন ভিক্ষুকেরও দেখা মেলে যারা টাকা




চাইছেন না, পেঁয়াজ ভিক্ষা চাইছেন। দৈনিক কালের কন্ঠের গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি নজরুল ইসলামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।গফাগাঁওয়ের পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যে ক্রেতারা হতাশা প্রকাশ করছেন। তবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানি কম থাকায় এই উচ্চমূল্য।




আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গফরগাঁও বাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানে পেঁয়াজ নেই। দু’একটি দোকানে অল্প পরিমাণে দেশি পেঁয়াজ থাকলেও প্রতি পাঁচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। এ পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে খুচরা ব্যবসায়ী মীর আবু হোসেন বলেন, বুধবারও প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে।

এক দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি প্রায় ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুই করার নেই। পেঁয়াজের আমদানি খুব কম। দেশি পেঁয়াজ ছাড়া বাজারে কোনো পেঁয়াজ নেই। যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে, পেঁয়াজের মূল্য আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।পাইকারি বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন আমার ১০০ বস্তা পেঁয়াজের চাহিদা।




কিন্তু এই ক্রাইসিসের সময় আমদানি করা যায় মাত্র ৪০ বস্তা পেঁয়াজ। বিদেশি পেঁয়াজ যেগুলো দেশে আসছে তা ঢাকা-চট্টগ্রামেই শেষ হয়ে যায়। মফস্বলে সে পেঁয়াজ আসে না।এ সময় দুই নারী ভিক্ষুক এসে বলেন, ‘আল্লারস্তে দুইডা পিয়াজ ভিক্কা দেইন্নীগো বাবা।’ দোকানি ভিক্ষুকদের দুই টাকা করে দিতে চাইলেও তারা টাকার বদলে পেঁয়াজ চান।




পরে একটি করে পেঁয়াজ দিয়ে তাদের বিদায় করা হয়।স্থানীয় এক ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গোলাম মোহাম্মদ ফারুকী বলেন, ভাবা যায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে! মানুষ শাক-সবজি কিনবে, না পেঁয়াজ কিনবে? উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহবুব উর রহমান বলেন, বাজার মনিটরিংয়ের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here