ক্যা’সিনো থেকে আ’টক দুই নারী যা বললেন (ভি’ডি’ও) আমা‌দের থ্রি পিসটা পর‌তে দেন স্যার।

রাত ৯টায় ফ‌কি‌রাপুলে ক্লা‌বের ভেত‌রে ব‌সে দুই তরুণী তা‌দের পাহারায় থাকা এক নারী র‌্যাব সদস্য‌কে লক্ষ্য ক‌রে এ কথাগু‌লো বল‌ছিলেন। জবা‌বে ওই র‌্যাব সদস্য বল‌লেন, স্যারদের অর্ডার নেই।স্যার, আমা‌দের থ্রি-পিসটা পর‌তে দেন। এখা‌নে পে‌টের তা‌গি‌দে চাক‌রি ক‌রি। ও‌য়েস্টার্ন ড্রেস না পর‌লে চাকরি থাক‌বে না। এখা‌নে সব জায়গায় সি‌সি ক্যা‌মেরা লাগা‌নো। খারাপ কা‌জের কোনো সু‌যোগ নেই। এখা‌নে জুয়ার বো‌র্ডে চাক‌রি করাটাই কি অপরাধ?




দুই তরুণীর একজন নি‌জে‌কে রি‌সেপশনিস্ট ও আরেকজন জুয়ার বো‌র্ডের কার্ড সরবরাহকা‌রী পরিচয় দেন। রি‌সেপশনিস্টের বেতন ২১ হাজার আর কার্ড বিতরণকা‌রীর ১০ হাজার। দৈ‌নিক ১২ ঘণ্টা চাক‌রি। গত দেড় মাস যাবত চাক‌রি কর‌ছেন ব‌লে জানান।তারা জানান, তারা মোট ৬ জন পালাক্র‌মে ডিউ‌ ট্কি‌রেন। তা‌দের স্বামী এখা‌নে চাক‌রির কথা জা‌নেন। তবে প‌রিবা‌রের অন্যরা জা‌নেন না। তারা বারবার‌ নি‌জে‌দের নিরপরাধ দা‌বি ক‌রেন।




এর আগে বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় ইয়ংমেন্স ক্লাবের নিষিদ্ধ জুয়ার ক্যাসিনোতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।ক্যাসিনোতে জুয়ার ফাঁকে ফাঁকে ম’দপান চলছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব। অভিযানের আগ থেকেই ক্লাবটি ঘিরে রাখেন র‌্যাবের সদস্যরা। তারা দুপুর থেকে সেখানে কাউকে ঢুকতে এবং বের হতে দেননি।




র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, অভিযানের সময় ভেতরে থাকা এবং ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা অবস্থায় ১৪২ জনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, এই ক্লাবে আট মাস ধরে অবৈধ আসর বসছিল। এ সময় আমরা দেখি, ক্লাবের নিচতলায় যন্ত্রের মাধ্যমে জুয়া খেলা (ক্যাসিনো) চলছে। এছাড়া জুয়া খেলার ফাঁকে ফাঁকে ম’দ পান হচ্ছে।




তিনি জানান, যারা এই ক্লাবে এসেছেন তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আটক ব্যক্তিদের ম’দ পানের লাইসেন্স নেই। এমনকি ইয়াংমেন্স ক্লাবেরও ম’দ বিক্রির লাইসেন্স নেই। এ সময় জুয়া খেলার ২৪ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়।ওই ক্যাসিনোতে অভিযানের পরই অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে




ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। বুধবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তাকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করা হয়। এ সময় ফ‌কি‌রাপুলে ক্লা‌বের ভেত‌রে ব‌সে দুই তরুণী তা‌দের পাহারায় থাকা এক নারীকে আটক করা হয়।




বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ফ‌কি‌রাপুলে ক্লা‌বে এই অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




এ সময় র‌্যাবকে উদ্দেশ্য করে ওই দুই তরুণী বলেন, স্যার, আমা‌দের থ্রি-পিসটা পর‌তে দেন। এখা‌নে পে‌টের তা‌গি‌দে চাক‌রি ক‌রি। ও‌য়েস্টার্ন ড্রেস না পর‌লে চাকরি থাক‌বে না। এখা‌নে সব জায়গায় সি‌সি ক্যা‌মেরা লাগা‌নো। খারাপ কা‌জের কোনো সু‌যোগ নেই। এখা‌নে জুয়ার বো‌র্ডে চাক‌রি করাটাই কি অপরাধ?




জানা যায়, দুই তরুণীর একজন নি‌জে‌কে রি‌সেপশনিস্ট ও আরেকজন জুয়ার বো‌র্ডের কার্ড সরবরাহকা‌রী পরিচয় দেন। রি‌সেপশনিস্টের বেতন ২১ হাজার আর কার্ড বিতরণকা‌রীর ১০ হাজার। দৈ‌নিক ১২ ঘণ্টা চাক‌রি। গত দেড় মাস যাবত চাক‌রি কর‌ছেন ব‌লে জানান।

ভালো ফলাফলের লো’ভ দেখিয়ে ছা’ত্রদের শা’রী’রিক স’ম্প’র্কে বা’ধ্য করতেন শি’ক্ষি’কা

পাস করতে চাও? তাহলে অবসরে আমা’র বাসায় এসো।’ এভাবেই ছাত্রদের নিজের বাড়িতে ডেকে নিতেন এক স্কুল শিক্ষিকা। যে ছাত্র বাসায় যেতে রাজি হন না, তাকে ফেল করিয়ে দিতেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে কলম্বিয়ায়। খবর ডেইলি মেইল।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই শিক্ষিকার নাম ইওকাসতা। বয়স চল্লিশেরও বেশি।




ওই শিক্ষিকা শুধু পাস করানোর জন্যই নয়, ভালো ফলাফলের লো’ভ দেখিয়েও ছাত্রদের বাড়িতে ডেকে নিতেন। রাজি না হলে ফেল করিয়ে দেয়ার ভয় দেখাতেন তিনি।শুধু তাই নয়, ছেলেদের ওয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে গভীর রাতে ওই শিক্ষিকা যেসব ছবি পাঠাতেন তা অবশ্য বর্ণনার যোগ্য নয়।




শিক্ষিকার এই অনাচার এক ছাত্রের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ঘটনা প্রকাশের পর ইওকাসতার স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছেন।ছাত্রদের ওপর যৌ’ন হয়’রানির অ’ভিযোগে ইওকাসতাকে ৪০ বছরের কারাদ’ণ্ড দিয়েছে দেশটির আ’দালত।




আরো পড়ুন সুসন্তান চান? মিলিত হোন ভোর ৬টায় দিনের বেলা হোক কিংবা রাতেই হোক, সঙ্গীর সঙ্গে ঠিক কোন সময় শা’রীরিকভাবে মিলিত হচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্য। অনেকেই ৫০ বছর বয়সের মধ্যেই শা’রীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।




ইংল্যান্ডের অ্যাঞ্জোলিয়া রাসকিন ইউভার্সিটির একদল গবেষক গত সপ্তাহে তাদের এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছেন। তাতে উঠে এসেছে, কোন সময়ে শা’রীরিক মিলনে কী ধরনের প্রভাব পড়ে সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য।




গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে একই সময়ে শা’রীরিক মিলনে এক ধরনের প্রভাব পড়ে। সময়ানুসারে যৌন মিলনের প্রভাব নিচে উল্লেখ করা হলো।

সকাল ৬টায় স্বামী-স্ত্রী-আপনি যদি সন্তান চান, তাহলে ঘড়িতে ৬টার ঘরে অ্যালার্ম সেট করে রাখুন। আর সে অনুসারে সঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হতে পারেন। গবেষকরা বলছেন, সকালের দিকে স্পার্ম অনেকটাই স্বাস্থ্যবান থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পার্ম কাউন্ট অনেকটাই কমে যায়।সে কারণে, সকালের দিকে মিলিত হলে সন্তান ধারনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।




৭টা ৩০ মিনিট-আপনি যদি নারী হন এবং খেয়াল করে দেখেন যে, আপনার পুরুষ সঙ্গীটি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এই সময়ে শা’রীরিকভাবে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে। কারণ, এই সময়ে আপনার সঙ্গীর টেস্টোস্টেরন হরমোন বেশি শক্তিশালী থাকে। এই সময়ে মিলন হলে দম্পতির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর পুরুষের পেশীও সুদৃশ্য হয়।

৮টা ৩০ মিনিট-গবেষকরা বলছেন, দুপুরের আগে যে কোনো ধরনের যৌন ক্রিয়াকলাপে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। নিয়মিতভাবে এই সময়ে যৌন মিলনের ফলে শরীরে কোনো ধরনের ইনফেকশন তৈরি হয় না। কারণ, শরীর থেকে একধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এই সময়ের মিলনে।




বেলা ১২টা-কাজের চাপে যদি আপনার মাথা ভনভন করে কিংবা মাথাটা ঝিম ধরে আসে, সে ক্ষেত্রেও এই সময় শা’রীরিকভাবে মিলিত হলে লাভবান হবেন। কারণ, এতে করে আপনার মস্তিষ্ক অনেকটাই আরাম পাবে।নিয়মিতভাবে এই সময়ে যৌন মিলনের ফলে শরীর চনমনে থাকবে এবং চাপ অনেকটাই কমে যাবে।

৩টা ৩০ মিনিট-হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী হলো দুপুর পর বেলা ৩টা ৩০ মিনিটের যৌনতা। কেউ যদি নিয়মিত ওই সময় শরীরিক সম্পর্কে জড়ান, তার হার্টের সমস্যা হওয়ার শঙ্কা অন্যদের তুলনায় কম।




সন্ধ্যা ৭টা-পুরুষদের অনেকেই নিজের যৌন ক্ষমতা নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন। সে ক্ষেত্রে যৌন মিলনের জন্য বেছে নিতে পারেন সন্ধ্যা ৭টার পরের সময়। এতে করে আপনার শরীরে সর্বোচ্চ উত্তেজনা কাজ করবে।গবেষকরা বলছেন, ওই সময় ১৬৯ শতাংশ বেশি রক্ত সঞ্চালন করে। যৌন জীবন সুখের করতে এই সময়টাও বেছে নিতে পারেন।

রাত ৮টা-বয়স ৪০ এর ঘরে পৌঁছলেই অনেকেই ঘুমানোর অভ্যাস বদলে ফেলেন। তারা চেষ্টা করেন, আগে ঘুমিয়ে আগে জেগে ওঠার। এতে করে যৌন জীবনও কিছুটা রুটিন পাল্টায়।




গবেষকরা বলছেন, এই সময়ে নিয়মিত যৌনতা এবং পরিমিত ঘুমের ফলে মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটে। এতে করে স্মৃতিশক্তি বেড়ে যায় এবং মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে, সেটাও কমে যায়।

রাত ১০টা-অনেকেই ঘুমানোর আগে শা’রীরিকভাবে মিলিত হন। গবেষকরা বলছেন, এইসব মানুষদের ঘুম ভালো হয়। কারণ, মিলনের ফলে তাদের শরীরের এক ধরনের অ্যানার্জি লস হয়। সেই সঙ্গে সারাদিনের ক্লান্তিও অনেকটাই কেটে যায়। মিলনের পর শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতেই হাজির হন ঘুমদেবী।

খালি পেটে যে কাজ ভুলেও করবেন না

জানেন কি ক্ষুধা পেটে বা খালি পেটে কিছু কাজ করা একদম ঠিক নয়? না হলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যেমন ধরুন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে চা-কফি পান করা একদম ঠিক নয়। খালি পেটে এগুলো পান করলে এসিডিটির সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া আরো কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো খালি পেটে করা ভালো নয়।




১. চুইংগাম চিবানোঃ চুইংগাম চিবালে ডাইজেস্টিভ এসিড তৈরি হয়। খালি পেটে চুইংগাম চিবানো পাকস্থলীর দেয়ালে সমস্যা করে। এতে গ্যাসট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

২. প্রদাহরোধী ওষুধ গ্রহণঃ খালি পেটে কখনো প্রদাহরোধী ওষুধ খাবেন না। এতে গ্যাস হতে পারে। এ ছাড়া এতে ওষুধের কার্যকারিতাও অনেক কমে যায়।




৩. রাতে না খেয়ে ঘুমানোঃ ক্ষুধা লাগলে এবং শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকলে ঘুমের অসুবিধা হয়। কম ঘুম আবার ক্ষুধা তৈরির হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। তাই রাতে একটু কিছু খেয়ে ঘুমান।ক্ষুধা লাগলে এবং শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকলে ঘুমের অসুবিধা হয়। কম ঘুম আবার ক্ষুধা তৈরির হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। তাই রাতে একটু কিছু খেয়ে ঘুমান।




তবে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খাওয়ার উপকারিতাঃ পায়েস কিংবা পোলাও- কয়েকটি কিসমিস তাতে দিলে, স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু শুধু কিসমিসের কত গুণ, তা অনেকেরই অজানা। রোজ এক কাপ করে কিসমিস ভেজানো পানি খেলে পাওয়া যায় বিশেষ উপকারিতা। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এমনই জানা গিয়েছে।




জেনে নিন কী কী ফল পাবেন কিসমিস ভেজানো পানি খেলে, কিসমিসে থাকে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবংখারাপকোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে আয়রন। যা রক্তাল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। কিসমিসে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শক্তি জোগায়। মহিলারাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারী।




এছাড়াও নিয়মিত কিসমিস খেলে বা কিসমিস ভেজানো জল খেলে লিভারও ভাল থাকে। যাঁরা প্রায়শই পেটের গন্ডগোলে ভোগেন তাঁদের জন্য এই পানি বিশেষ উপকারী। কিসমিস ভেজানো পানি খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হয়।




২ কাপ জলে ১৫০ গ্রাম কিসমিস ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। গাঢ় রংয়ের কিসমিস বেশি উপকারী। কিসমিসগুলি ভালভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন।ক্ষুধা লাগলে এবং শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকলে ঘুমের অসুবিধা হয়। কম ঘুম আবার ক্ষুধা তৈরির হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। তাই রাতে একটু কিছু খেয়ে ঘুমান।




পরেরদিন সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে সেই জল হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘণ্টা আর অন্য কিছু খাবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই জল খেলে সুস্থ থাকবেন।ক্ষুধা লাগলে এবং শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কম থাকলে ঘুমের অসুবিধা হয়। কম ঘুম আবার ক্ষুধা তৈরির হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। তাই রাতে একটু কিছু খেয়ে ঘুমান।




কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার দুটো ভাল থাকলে হজমও ভালভাবে হয়।কীভাবে বানাবেন কিসমিস ভেজানো পানি ?

হি’ন্দু মেয়ের যে স্ট্যা’টাস দেখে মুসলিমরা অ’বাক।

আমার প্রিয় দেশবাসী…
আমি প্রশমা শাসমল, আপনারা পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার ধূলাগড় এর নাম অনেক শুনেছেন… আমি সেই জেলারই উদয়নারায়নপুর ব্লকের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে…. বাবা মা ও ছোটো ভাই কে নিয়ে আমাদের পরিবার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে সম্প্রতি। সেই তালিকায় নাম রয়েছে প্রশমা শাসমলের। ৭২৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় হয়েছে ওই কিশোরী। গোটা রাজ্যের মধ্যে তার স্থান অষ্টম। মেয়ের এই সাফল্যে বাবা মা তো খুশি বটেই, খুশি শিক্ষকরাও।




একা প্রশমা নয়, এ বছর হাই মাদ্রাসায় প্রায় ৫২ হাজার ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিল। তার মধ্যে প্রায় তেইশশো জন হিন্দু পড়ুয়া।
ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এক অসাধারণ লেখা সম্প্রতি ফেসবুকে পোস্ট করেছে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের ওই কিশোরী। পড়ুন সেই লেখা—




এতটুকু পড়ার পর আপনারা নিশ্চয় বিরক্ত হয়ে ভাবছেন এইসব অপ্রয়োজনীয় কথা বলার জন্য এত ঘটা করে দেশবাসীকে চিঠি লেখার কী প্রয়োজন… এরকম সাধারণ মেয়ে কয়েক কোটি এদেশে আছে…. একদম ঠিক ভেবেছেন, আমি খুব সাধারণ মেয়ে আর তাই নিজের কিছু অনুভুতি, ভালো লাগা, ভাবনা, জিজ্ঞাসা,কৌতূহল আপনাদের সবার সাথে ভাগ করে নিতে চাঁই… আপনাদের কিছুটা মুল্যবান সময় আমাকে দেবেন এই আশা রাখি…




আমি প্রাইমারী স্কুলের গণ্ডী পেরিয়ে এলাকার আর পাঁচটা সাধারণ ছাত্রীর মতন পঞ্চম শ্রেনীতে ভর্তি হয়েছিলাম স্থানীয় গড়ভবানীপুর উষারানী করাতি বালিকা বিদ্যালয়ে… ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনো আমার ভীষন প্রিয়,

দিনের অনেকটা সময় আমি কাটিয়ে দিতাম বই খাতা নিয়েই… বাবা মাও আমাকে উৎসাহ দিতেন…. স্কুলের রোজকার পড়াশোনর বাইরে বাবাকে ব্যাস্ত করতাম নানা জাগতিক বিষয়ে প্রশ্ন করে….ক্লাস ফাইভের ফাইনাল পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করার পর একদিন বাবা হঠাৎ অফিস থেকে বাড়ি ফিরে আমায় বললেন…” মা তুই খলতপুর মাদ্রাসায় ভর্তি হবি…?




শুনেছি ওখানে খুব ভালো পড়াশুনো হয়, তুই এত ভালো রেজাল্ট করেছিস…ওখানে মাস্টার মশাইরা খুব যত্ন নিয়ে পড়ায়, আমি শুনেছি”… প্রথমে আমি একটু অরাজি ছিলাম কারন পুরোনো স্কুলের বন্ধুদের ছেড়ে যেতে হবে, তারপর আমি একজন হিন্দু ঘরের মেয়ে… মাদ্রাসার সম্পূর্ণ অজানা অচেনা পরিবেশ,




মাদ্রাসা মানেই একটা অজানা আশঙ্কা… আমি কী মানিয়ে নিতে পারবো… কিন্তু, সব আশঙ্কা ছাপিয়ে খলতপুর মাদ্রাসায় ভালো পড়াশুনো হয়, মাস্টার মশাইরা খুব যত্ন নিয়ে পড়ায়… বাবার এইসব কথাগুলি আমায় বেশি আকৃষ্ট করেছিলো… ভর্তি হয়ে গেলাম খলতপুর মাদ্রাসায়….

prosoma-statusখুব অল্প দিনেই অনেক নতুন বন্ধু পেয়ে গেলাম…আনোয়ারা , ফতেমা, শামিমা, রেশমা, পূর্নিমা…. খলতপুর মাদ্রাসা আমার কাছে মন্দির হয়ে উঠলো… নুরুল স্যার,আরিফুল স্যার, কলিম স্যারেদের সস্নেহ প্রশ্রয়ে আমরা মাদ্রাসা দাপিয়ে বেড়াতাম,




খেলা ধুলো সহ সবেতেই আমরা মেয়েরা এগিয়ে থাকতাম… তবে মন দিয়ে পড়াশুনোটাও করতাম…. এক মুহুর্তের জন্য কখনো মনে হয় নিই আমি কোনো অপরিচিত পরিবেশে পড়াশুনো করছি… আমি যেমন স্বছন্দে ঈদের দিন আনোয়ারা, ফতেমা ,

শামিমার বাড়িতে ওদের সাথে উৎসবে মিশে যাই তেমন ভাবে ওরাও সরস্বতী পূজোর দিন আমাদের বাড়িতে সারাদিন আমার সাথে মিলে পূজোয় আনন্দ করে প্রতি বছর… সামান্যতম সময়ের জন্য কোনোদিন মনে হয় নিই ওরা মুসলিম আমি হিন্দু। মাদ্রাসায় আমার পড়াশুনো , ভালো রেজাল্ট আর স্যারেদের আমার প্রতি যত্ন নেওয়া দেখে বাবা -মা আমার ছোটো ভাই কেও আমার মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেন তিন বছর আগে…..




এবছর আমি হাই মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষায় ৭২৯ নম্বর পেয়ে রাজ্যের মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় ও রাজ্যের মদহ্যে অষ্টম স্থান পেয়েছি। বাবা মা, স্যারেরা সবাই খুব খুশী… আজকে আমার মাদ্রাসার সব ছাত্র ছাত্রী ও স্যারেরা মিলে আমায় সংবর্ধনা দিলো… আমি এই মাদ্রাসার ছাত্রী হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। শুধু আমি নই, এবছর হাই মাদ্রাসায় মোট ৫২,১১৫ জন ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিলো পশ্চিম বঙ্গে এবং তার মধ্যে ২,২৮৭ জন হিন্দু ছাত্র ছাত্রী।

চারিদিকে অসহিষ্ণুতার বিষাক্ত ছোবল, আমি শুনতে পাই হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, অশান্তি…কত কিছু… কিন্তু বিশ্বাস করুণ, কখনো একটি হিন্দু মেয়ে হিসেবে মাদ্রাসার ছাত্রী হয়ে নিজেকে বিপন্ন মনে হয় নিই…. কখনো আমার কোনো বন্ধুর চোখে আমি এক মুহুর্তের জন্য আমার প্রতি অবিশ্বাস দেখি নিই… বিশ্বাস করুণ,




এই বাংলার মাটিতেই এটা সম্ভব হয়েছে… আমি কৃতজ্ঞ এই বাংলার পবিত্র মাটির প্রতি…. আজ আমার এই সাফল্য তাই আমি এই বাংলার অখ্যাত খলতপুর গ্রামের হাই মাদ্রাসা কেই উৎসর্গ করতে চাঁই… ও আর একটি কথা জানাতে ভুলে গেছি… আমি এই মাদ্রাসাতেই একাদশ শ্রেনীতে পড়াশুনো করবো…. আপনাদের সবার আশির্বাদ চাঁই…. সবাই খুব ভালো থাকবেন।




পাশের এলাকা ধুলাগর নিয়ে কত কথা শুনেছি, কিন্তু সেই মুহূর্তেও আমি আনোয়ারার বাড়িতে বসে একসাথে পড়াশুনো করেছি… পড়ার শেষে আনোয়ারার বাবা রহিম কাকু আমাকে বাড়ি পৌছে দিয়েছে… বাবা মা নিশ্চিন্তে আমার অপেক্ষায় থাকতেন… আমি আমার মতন করে এই পরিবেশে নিজেকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করেছি… হ্যা,

ইতি বাংলার এক সাধারণ মেয়ে ,
প্রশমা শাসমল।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

প্রার্থী হবেন না ওবায়দুল কাদের, নতুন চমক নিয়ে আসছে…

আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভেতর থাকে মূল আগ্রহ। আসছে কাউন্সিলেও এর ব্যতিক্রম ঘটছে না। কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তা নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানা জল্পনা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন এ বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।




দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা বছরের শেষ মাসের ২০ ও ২১ তারিখে সম্মেলনের সম্মতি দিয়েছেন। সে হিসেবে বাকি আর মাত্র ৩ মাসের মতো। এখানে প্রার্থী হওয়ার অধিকার সবার আছে। নেত্রীর ইচ্ছার বাইরে আসলে কিছু হয় না। নেত্রী জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে যাকেই চয়েজ করেন আওয়ামী লীগের কর্মী-কাউন্সিলররা তার প্রতি ঝুঁকে পড়েন।




সে মতে শেখ হাসিনা যাকে পছন্দ করবেন তিনিই সম্পাদক হবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই।এদিকে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি আর প্রার্থী হবেন না। তবে সভাপতি শেখ হাসিনা চাইলে দায়িত্ব নিতে রাজি আছেন।




এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের বেশ সফল এটা সকলেই স্বীকার করবেন। পার্টি প্রধানও সেটা জানেন এবং বেশ সন্তুষ্ট। তবে অসুস্থ হওয়ার পর থেকে ওবায়দুল কাদেররর শারীরিক বিষয়টি নিয়েও বেশ উদ্বিগ্ন শেখ হাসিনা। শারীরিক দিক বিবেচনায় তাকে যদি এ পদে না আনা হয় তবে কে হবেন তা নিয়েও চলছে জল্পনা-কল্পনা।




আগামী তিন বছরে আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদনের পরিকল্পনা তা সুসম্পন্ন করার জন্য সভাপতির আস্থাভাজন, ডায়নামিক ও নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন সাধারণ সম্পাদক প্রয়োজন। গত কয়েকটি সম্মেলনে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।




আসছে কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানকে নিয়ে জল্পনা চলছে। এ ছাড়া নতুন নেতৃত্বের চমক হিসাবে বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক ও এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিমকেও এগিয়ে রাখছেন কেউ কেউ।




২০০২ সালের কাউন্সিলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হওয়া সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ সালের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১২ সালের কাউন্সিলে তাকে পুনঃনির্বাচিত করা হয়। ওই কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে ২০১৬ সালের সর্বশেষ কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।




সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবদুর রাজ্জাক ও দীপু মনি বর্তমান সংসদের এমপি। জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আবদুর রহমান, বি এম মোজাম্মেল হক ও এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিমকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তবে তাদের চারজনকেই নির্বাচনী পরিচালনার মতো গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়।




সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে গুঞ্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, ‘কোনো গুঞ্জনেই কাজ হবে না। দলীয় সভাপতি ছাড়া আর কেউ জানেন না সাধারণ সম্পাদক কে হবেন। আওয়ামী লীগের কাউন্সিলররাও এ দায়িত্ব নেত্রীকে দেন। নেত্রী যাকে ভালো মনে করবেন তাকেই দলের সাধারণ সম্পাদক বানাবেন।’




এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতিটি সম্মেলনেই গড়ে ৩০ ভাগ নতুন মুখ আসছে। জাতীয় সম্মেলনেও নেতৃত্বে অনেক নতুন মুখ আসবে। ভবিষ্যৎ দলের কথা বিবেচনা করেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া হচ্ছে।’

রোগ কি সেটা ডা’ক্তার শোনার আগেই আয়া এসে রোগীর কা’পড় খু’লে নেয়

গাজীপুরের একজন নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপর একজন নারী চিকিৎসকের আচরণে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি তার ক্ষোভ ঝেড়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যম চাইলে নিউজ করতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ।




গাজীপুরের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা তার নিজের ফেসবুক ওয়ালে জানান, সম্প্রতি তিনি রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। তিনি অন্য সাধারণ রোগীর মতোই সেখানে যান। কিন্তু তার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয় তা মোটেই শোভনীয় নয়।




নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমার শনিবার রাতে (১৪ই সেপ্টেম্বর) লেখেন-
‘আমি সাধারণত নিজের কর্মস্থলের বাইরে ডাক্তার দেখালে পরিচয় দিয়ে যাই না, কথা প্রসঙ্গে পরিচয় বের হলে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু আজ জনমের মত শিক্ষা হলো, জীবনে আর কোথাও যাই করি, এদেশে ডাক্তার দেখাতে গেলে নিজের পরিচয় না দিলে কোন কোন ডাক্তারের কাছে মান-ইজ্জত তো থাকবেই না, বরং কুকুর-বিড়ালের মত আচরণ পেতে হতে পারে। যদিও সব ডাক্তার এক রকম নয়।’




তিনি লেখেন, ‘আজ ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে গাইনী বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডক্টর কোহিনূর বেগম (প্রাক্তন অধ্যাপক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ) এর কাছে পরামর্শের জন্য গিয়েছিলাম। প্রথমে একজন সহকারি রোগের কথা শুনে সামারি লিখে নিলেন, খুব ভালো।




কিন্তু ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে দেখি, তিনি অন্য রোগী দেখছেন। ডাক্তার এতই ব্যস্ত যে, একজন আয়া এসে আমার কাছে আমার রোগ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আয়াটার কাজ হচ্ছে, রোগের ‘র’ টা শুনবে, আর অমনি রোগীকে শুইয়ে দিয়ে রোগীর কাপড় খুলে নিবে।




আমি বললাম, আমার কি করতে হবে না হবে, তা ডাক্তার এসে বলুক, আপনি এমন করছেন কেন? আয়া মহাশয়ার জবাবের টোন শুনে মনে হচ্ছে, তিনি কোন লাট বাহাদুর হবেন। অতঃপর ডাক্তার এসে জানালেন, তার এত সময় নেই আমাকে চেক করার, এসে বসে কথা বলতে বললেন। তিনি যখন কথা বলা শুরু করলেন, তখন মনে হল তার জিহবার সাথে একটা চাকু লাগানো আছে। রোগের কথা যা-ই বলি, তিনি তেলে বেগুনে তেতে উঠছেন।




ক্ষুব্ধ তমা আরও লেখেন, ‘ফ্রি তো দেখাতে যাইনি, সার্ভিস দিতে এত রাগ হয়, টাকাটা নিতে লজ্জা করে না? আমরা জাতি হিসেবে কবে মানুষ হব? সততা অনেক বিশাল ব্যপ্ত একটি বিষয়; শুধু ঘুষ না খাওয়া মানেই যে সততা নয়। যে কাজের জন্য টাকা নিচ্ছি, সেটা ঠিকমতো না করলে যে ঐ টাকা হালাল হয় না, টেবিলের ওপাশে সেবা নিতে আসা মানুষটার সাথে দুরাচরণ করাটা কত বড় পাপ, তা আমরা কবে বুঝতে শিখবো?’




এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবাইয়া ইয়াসমিন তমা জানান, ধানমন্ডি পপুলার এর ডক্টর কোহিনূর বেগম, গাইনোকোলোজিস্ট। তার চেম্বারে আয়া এসে রোগ জিজ্ঞেস করে, ডাক্তার এর সময় বাঁচানোর জন্য, কি রোগ সেটা ডাক্তার শোনার আগেই আয়া এসে রোগীর কাপড় খুলে নেয়। এটা কেমন কথা? রোগীকে কাপড় খুলতে হবে কিনা, সেটা তো ডাক্তার বলবে তাই না?




আর ডাক্তারের আচরণে মনে হচ্ছে তিনি ফ্রি চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাই তার সময় নেই, মেজাজ খারাপ। অথচ, এক হাজার টাকা ফি টা যখন নিলেন তিনি, তখন লজ্জা করলো না! রোগী হিসেবে তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।সূত্র: আমাদেরসময়.কম

জ্ঞান হারানোর আগে রিকশাচালককে যে কথা বলেছিলেন রিফাত

বরগুনায় রিফাত শরীফ হ*ত্যাকা*ণ্ডের আড়াই মাস পর ওই ঘটনা আবার আলোচনায় এসেছে। নিজের স্ত্রীর সঙ্গে নয়, সন্ত্রাসীদের কোপে রক্তাক্ত জখম হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে এক রিকশাচালকের সঙ্গেই শেষ কথা হয় নি*হত রিফাতের। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিলেন সেই রিকশাচালক দুলাল। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার ফরাজীরপুল এলাকার বাসিন্দা। রিকশাচালক দুলাল সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান,




ওইদিন কলেজ সড়কে যাত্রী নিয়ে গিয়ে মানুষের ভিড়ের কারণে আর সামনের যেতে পারছিলেন না। সামনে মারামারি হচ্ছে। দুলাল বলেন, ‘যাত্রী নামিয়ে রিকশা ঘুরাইয়া কেবল দাঁড়াইছি, এ সময় একটা ছেলে র*ক্তাক্ত অবস্থায় হাইট্টা আইসা আমার রিকশায় উইঠাই কয়, চাচা আমারে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়া যান। আমি দেখলাম গলা ও বুকের বামপাশ কোপে কাইট্টা রক্ত বাইর হইতেছে।




হের জামাডা টাইন্না আমি গলা ও বুকে চাইপ্পা ধইরা কইলাম, আপনে বহেন, আমি চালাই। এ সময় একটা মেয়ে দৌড়ে রিকশায় উইঠা ওই পোলাডারে ধইর‌্যা বসে। আমি তাড়াতাড়ি রিকশা চালাইয়া হাসপাতালের দিকে যাই।’ দুলাল বলেন, এক মিনিটের মতো রিফাত ঘাড় সোজা করে বসেছিল, এরপর সে মিন্নির কাঁধে ঢলে পড়ে,আর ঘাড় সোজা করতে পারেনি। দুলাল আরও জানান, হাসপাতালের গেট দিয়ে ঢোকার




সময় মিন্নি একজন লোককে ডাক দেয়। রিকশা থামানের সঙ্গে সঙ্গে ওই লোক দৌড়ে এসে রিফাতের অবস্থা দেখেই স্ট্রেচার আনতে যায়। আমি আর সেই লোক রিফাতকে স্ট্রেচারে তুলে অপারেশন থিয়েটারে দিয়ে আসি। এরপর রিফাতকে অ্যাম্বুলেন্স করে বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ এসে আমার রিকশার ছবি তুলে নেয় ও কাগজপত্র নিয়ে যায়।




আমার কাগজপত্র এখনও পুলিশের কাছেই আছে। মিন্নির ডাকে ছুটে এসেছিলেন যিনি: হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে ও রিকশাওয়ালা দুলালের বর্ণনামতে রিকশা থামতেই সাদা গেঞ্জি পরা এক লোক দৌড়ে স্ট্রেচার এনে রিফাতকে দ্রুত ওটিতে নিয়ে যান। ওই ব্যক্তি আমিনুল ইসলাম মামুন।




তিনি বরগুনা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি একই সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ী। মামুনের সঙ্গেও কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, মিন্নির ডাক শুনেই ছুটে আসি। রিফাতের অবস্থা দেখে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে স্ট্রেচার নিয়ে আসি। এ সময় রিফাত রিকশায় মিন্নির কাঁধে ভর করে বসেছিল। আমি, রিকশাচালক ও মিন্নি তিনজনে মিলে রিফাতকে ধরে স্ট্রেচারে তুলি।




দ্রুত তাকে ওটিতে নিয়ে যাই। ডাক্তারের লিখে দেওয়া স্লিপ নিয়ে আমি তিনবার ফার্মেসি থেকে ১৪০০ টাকার ওষুধ কিনে আনি। তিনি বলেন, রিফাতের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। চিকিৎসক কোপের ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিয়ে বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।




আমি অ্যাম্বুলেন্স গেটে নিয়ে আসি। এর মধ্যেই রিফাতের বন্ধুসহ অন্যরা আসেন। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল নিয়ে যাওয়া হয়। মামুন বলেন, একজন মানুষকে বিপদে সহায়তা করা মানবিক দায়িত্ব, সে যে কেউ হোক। আমিও সেটাই চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আফসোস রিফাতকে বাঁচানো যায়নি।




গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হ,ত্যা করে রিফাত শরীফকে। এ ঘটনায় নি,হত রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা থানায় হ,ত্যা মামলা দায়ের করেন। সূত্র-সমকাল

না’তিকে ঘরে ডে’কে নিয়ে বিশেষ অ’ঙ্গ’ কে’টে দিল দাদি

ঘটনাসূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ আলীর দুই সন্তানের জননী স্ত্রী শখের বানুকে (৩০) রেখে গত ১১ মাস আগে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। এই সুযোগে স্ত্রী শখের বানু প্রতিবেশি নাতি সম্পর্কের যুবক মানিকের (২৭) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় প্রেমিক নাতির বিয়ের খবরে রাতে ঘরে ডেকে লি’ঙ্গ কে’টে দিল দাদি। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামে। রাতেই গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় নাতি মানিককে (২৭) আলমডাঙ্গা শহরের শেফা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। কর্তিত লি’ঙ্গ ৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।




জানা যায়, মানিক পাইকপাড়া গ্রামের আলমঙ্গীর আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে নাতি মানিক ও দাদি শখের বানুর শারীরিক সম্পর্ক করে বলেও জানা যায়। এরই মধ্যে বিপত্তি। অবিবাহিত প্রেমিক নাতি মানিকের বিয়ে পাকাপোক্ত হয়। সে বিয়েতে মত ছিল প্রেমিক নাতির। এতে রাগে-ক্ষোভে পড়ে দাদি। তিনি প্রতিশোধের আগুন বুকে নিয়ে ঘুরছিলেন।




হঠাৎ গত ১৬ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে দাদি প্রেমিক নাতিকে তার ঘরে মোবাইলফোনে ডেকে নেন। পরে উত্তেজিত অবস্থায় প্রেমিক নাতির লি’ঙ্গে লুকিয়ে রাখা ব্লেড দিয়ে পোস মারেন। এতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন প্রেমিক নাতি। তার অবস্থা বেগতিক হলে নাক-লজ্জ্বার মাথা খেয়ে চিকিৎসার জন্য আলমডাঙ্গার শেফা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।এদিকে ক্লিনিকসূত্রে জানা যায়, মানিকের কর্তিত লি’ঙ্গে মোট আটটি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে সে ঐই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।




আরো পড়ুন- জিএস থেকে পদত্যাগ চাওয়ায় নুরকে যা বললেন রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর পদত্যাগ দাবি করেছেন ভিপি নুরুল হক নুর। তবে এর উত্তরে ষড়যন্ত্র হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জিএস গোলাম রাব্বানী।




সোমবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে উভয় নেতা গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।

ভিপি নুরের দাবি, ডাকসুর সভাপতি চাইলে নৈতিক স্খলনের দায়ে যে কাউকে বরখাস্ত করতে পারেন। ইতিমধ্যে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের দায়ে গোলাম রাব্বানীকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ যদি এ বিষয়ে আপসহীন হয় তাহলে ডাকসু কেন পারবে না?




এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান বলেছেন, কোনো ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছা বা একক কোনো বিষয়ে নয়, ডাকসু চলবে এর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী।

এদিকে ডাকুসর জিএস গোলাম রাব্বানীর জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি সংগঠনের (ছাত্রলীগ) পদ হারিয়েছেন। এবার যদি তার ডাকসুর পদ নিয়ে ষড়যন্ত্র হয় তাহলে এর দাঁতভাঙা জবাব দেবেন। প্রতিপক্ষকে তিনি এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।




ভিপি নুরুল হক নুর গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সকল পথের মানুষই ধারণ করেন। সেখানের ছাত্র সংসদে একজন দুর্নীতি পরায়ণ লোক, যাকে নৈতিকস্খলনের দায়ে বাদ দেওয়া হয়েছে তিনি ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন এটা মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র প্রতিনিধিরা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইডল বা রোল মডেল হবেন। কিন্তু তারাই যদি এই ধরনের বিতর্কিত কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে স্বপদে বহাল থেকে যান, তাহলে তা সারাদেশের ছাত্রদের জন্য একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। যেখানে তার দল (আওয়ামী লীগ) ব্যবস্থা নিতে পারল, তাহলে আমরা কেন নিতে পারব না?




ডাকসুর সভাপতি চাইলে যে কাউকে বরখাস্ত করতে পারেন উল্লেখ করে ভিপি নুর আরও বলেন, ‘যেহেতু ডাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এই ক্ষমতা দেওয়া আছে তাই তিনি চাইলে যে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। প্রয়োজনে তিনি ডাকসু ভেঙেও দিতে পারেন। আবার কাউকে বরখাস্ত করতে পারেন। কিন্তু তার উচিত ছিল এ ঘটনা যখন গণমাধ্যমে আসে, তখন সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু, তার সদিচ্ছার অভাবে তিনি তা নিতে পারেননি। আমাদের পক্ষ থেকে উপাচার্যকে মৌখিকভাবে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। কিন্তু, তিনি আমাদের বলেছেন ডাকসুর গঠনতন্ত্রে যেভাবে আছে সেভাবে দেখবেন।

ষড়যন্ত্র হলে দাঁতভাঙা জবাব দেবেন রাব্বানী

এ বিষয়ে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্রলীগের বিষয়টা আমাদের দলীয় অভ্যন্তরীণ বিষয়। যেখানে আমি শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি, সেখানে আমার পদত্যাগ চাওয়াটা হলো গণমাধ্যমকে আকৃষ্ট করা।




নিজেকে আইনজীবী দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোনো দালিলিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি। আমি আইনের ছাত্র এবং একজন লইয়ার হিসেবে যেটা জানি কোনো প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী বলা যাবে না। ডাকসু থেকে আমার পদত্যাগের দাবিটি অবান্তর।




এদিকে ডাকসু থেকে গোলাম রাব্বানীকে অপসারণ করতে দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ দাবির কথা জানান তারা। একইসঙ্গে পুনরায় ডাকসু নির্বাচন দেওয়ার দাবিও জানান তারা। এদিকে ৩৪জন শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে ভর্তি প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের বহিষ্কার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন তারা।

সাকিব দল নিয়ে অনেক কথা বলেছেন : মাহমুদউল্লাহ

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে এক ম্যাচ আগেই ফাইনালে পা রেখেছে বাংলাদেশ। গতকাল চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়েকে পাত্তাই দেয়নি টাইগাররা। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ৩৯ রানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।




জিম্বাবুয়েকে হারানোর ম্যাচের মূল ভিত গড়ে দেন মাহমুদউল্লাহ। তার ৬২ রানের ইনিংসের কল্যাণেই বাংলাদেশ পায় ১৭৫ রানের পুঁজি। এরপর বল হাতে শফিউল ও নবাগত বিপ্লবের বিধ্বংসী বোলিংয়ে সফরকারীরা ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায়। ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহ জানালেন, অধিনায়ক সাকিব দল নিয়ে অনেক কথা বলেছেন,




কোচ-ম্যানেজমেন্টও সম্পৃক্ত ছিলেন, উৎসাহ দিয়েছে।মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমার মনে হয় যে সবার ভেতরেই সেই স্পৃহাটি ছিল যেটি আমি অনুভব করি।দলের ভেতরে এগুলো নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। ম্যানেজমেন্ট, কোচরা এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছে আমাদের সঙ্গে। সাকিব অনেক বেশি কথা বলছে, অনেক বেশি সম্পৃক্ত থাকছে।’




মাহমুদউল্লাহর চাওয়া বাংলাদেশ আফগানদের বিপক্ষে একই ধারা বজায় রাখবে। ‘আমরা আজকে যেভাবে আধিপত্য বজায় রেখেছিলাম সেভাবে আফগানিস্তানের সঙ্গেও একই ধারা বজায় রাখা। আমাদের লক্ষ্য থাকবে আরও বেশি ভালো পারফরম্যান্স করে যেন ম্যাচটি জিততে পারি এবং ফাইনালের জন্য আরো বেশি আত্মবিশ্বাস পেতে পারি’- এভাবেই বলছিলেন তিনি।




২১ তারিখ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তবে ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়াতে এই ম্যাচ কাগজে কলমে গুরুত্ব হারিয়েছে। ২৪ তারিখ মিরপুরের ফাইনালে সেরার লড়াইয়ে রশিদদের বিপক্ষে নামবেন সাকিবরা।

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পশ্চিম আফ্রিকার লাইবেরিয়ার একটি স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ২৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের বয়স ১০ বছরের মধ্যে। প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ইমাম এবং ২ শিশু। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। বুধবার দেশটির পুলিশের তরফ থেকে একথা জানানো হয়েছে।




‘শিক্ষার্থীরা যখন পবিত্র কোরআন পড়ছিল সে সময় আগুন লাগে’ বলে পুলিশের মুখপাত্র মোসেস কার্টার জানিয়েছেন।এই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে বৈদ্যুতিন শর্টসার্কিট থেকে এই আগুন লাগে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার বিশদ তদন্ত করছে পুলিশ।




লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জর্জ উইয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে রাজধানী মোনরোভিয়ার উপকণ্ঠে ওই স্কুলটিতে আগুন লাগে। আবাসিক ওই স্কুলটিতে মোট ২৯ জন শিক্ষার্থী পড়ত।তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে পেনেসভিল্লে শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত শিশুদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। স্বজনহারা পরিবার এবং সমগ্র লাইবেরিয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব কঠিন সময়।’




লাইবেরিয়ার বড় শহরগুলিতে বাড়ি ভেঙে পড়া বা ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থার কারণে আগুন লাগা কোনও নতুন ঘটনা নয়। তবে এই ধরনের ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেনি বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।